প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৩
হ্যাটট্রিক স্বর্ণ পদকে বিভাগীয় সাঁতারে সেরা মৈশাদীর লিমন

গ্রামের পুকুরের শান্ত জলে যার সাঁতারের শুরু, সেই তরুণ এবার দাপিয়ে বেড়ালেন সাগরের কোলঘেঁষা চট্টগ্রামের সুইমিং পুল। চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাঁতার প্রতিযোগিতায় অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী দেখিয়ে ৩টি ভিন্ন ইভেন্টেই প্রথম স্থান অর্জন করেছেন চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী গ্রামের কৃতী সন্তান মো. লিমন উদ্দিন। বীর প্রতীক মমিন উল্লাহ পাটোয়ারী একাডেমির এই সাঁতারু ৩টি স্বর্ণপদক জিতে একাই ছিনিয়ে নিয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রেষ্ঠত্বের গৌরব।
|আরো খবর
প্রতিযোগিতায় লিমনের স্বর্ণজয়ী ইভেন্টগুলো হলো : ১০০ মিটার চিৎ সাঁতার : ১ম স্থান (স্বর্ণপদক); ১০০ মিটার মুক্ত সাঁতার : ১ম স্থান (স্বর্ণপদক) ও ২০০ মিটার মুক্ত সাঁতার : ১ম স্থান (স্বর্ণপদক)।
একই টুর্নামেন্টে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা টপকে ৩টি ইভেন্টেই সোনা জয়ের ঘটনা বিভাগীয় প্রতিযোগিতার মঞ্চে অনন্য এক নজির। লিমনের এই বর্ণিল সাফল্যে উল্লাসে মেতেছে তার জন্মভূমি মৈশাদী গ্রামসহ পুরো চাঁদপুর জেলা। স্থানীয় ক্রীড়ানুরাগীদের মতে, সাধারণ জলাশয় থেকে উঠে এসে বিভাগীয় পর্যায়ে এমন জয় লিমনের অদম্য মেধা ও কঠোর অনুশীলনেরই ফসল।
বিভাগীয় মঞ্চে অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের মাধ্যমে জেলা ও উপ-অঞ্চলের নাম উজ্জ্বল করার পর লিমনের পরবর্তী লক্ষ্য এবার জাতীয় পর্যায়। চট্টগ্রাম বিভাগের সেরা সাঁতারু হিসেবে তিনি খুব শীঘ্রই জাতীয় সাঁতার প্রতিযোগিতায় চাঁদপুরের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
লিমনের এই অর্জনে বীর প্রতীক মমিন উল্লাহ পাটোয়ারী একাডেমির পরিচালক ও স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকেরা সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, "লিমন প্রমাণ করেছে সঠিক দিকনির্দেশনা ও নিষ্ঠা থাকলে প্রান্তিক গ্রাম থেকেও উচ্চমানের অ্যাথলেট গড়ে তোলা সম্ভব। বিভাগীয় পর্যায় তো কেবল শুরু, আমাদের বিশ্বাস জাতীয় সুইমিং পুলেও লিমন নিজের সেরাটা দিয়ে দেশের শীর্ষ সাঁতারুদের সারিতে জায়গা করে নেবে।"
এখন শুধু অপেক্ষা জাতীয় সুইমিং পুলে লিমনের নতুন ইতিহাস রচনার। চাঁদপুরবাসী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা অধীর আগ্রহে প্রহর গুণছেন জাতীয় মঞ্চে তার পরবর্তী জয়ের গল্পের জন্য।
ডিসিকে /এমজেডএইচ








