প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৬, ০২:০৮
কচুয়ায় পৃথক দুটি স্থানে জোরপূর্বক গাছ কাটার অভিযোগ
থানায় অভিযোগ ও তদন্তে বন বিভাগ

কচুয়ায় পৃথক দুটি স্থানে অবৈধ ও জোরপূর্বক গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার পৌর এলাকার মাছিমপুরে সরকারি গাছ এবং কড়ইয়ার নোয়াগাঁও গ্রামে ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রায় ৫০ বছরের পুরনো গাছ কাটার ঘটনা ঘটে। দুটি ঘটনাতেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
|আরো খবর
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কচুয়া পৌরসভার মাছিমপুরের হযরত শাহ নেয়ামত শাহ উচ্চ বিদ্যালয় রোডের পাশে প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা একটি বৃহদাকার কড়ই গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে আশরাফিয়া ফার্মেসির স্বত্বাধিকারী পরিমল সরকারের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের মতে, গাছটি সড়কের পাশে প্রতিরক্ষামূলক খুঁটি হিসেবে কাজ করতো, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাত। খবর পেয়ে উপজেলা বন বিভাগের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া গাছ কাটার বিষয়ে পরিমল সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি দাবি করেন, আমার জায়গার গাছ আমি কেটেছি। তবে বন বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, গাছটি সরকারি হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
অন্যদিকে কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে জোরপূর্বক গাছ কাটার খবর পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী দেলোয়ার হোসেনের ছেলে আলী হোসেন অভিযোগ করেন, প্রতিবেশী আ. রবের ছেলে আলমগীর ও শাহজাহান গং দলবল নিয়ে এস্কেভেটর ও মেশিন দিয়ে তাদের ৫০ বছরের পুরনো প্রায় ৩০টি গাছ কেটে ফেলে। বাড়িতে কোনো পুরুষ না থাকার সুযোগে গাছের পাশাপাশি বিল্ডিংয়ের পাশের মাটি কেটে রাস্তা নির্মাণের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তারা। গাছ কাটায় বাধা দিলে আলী হোসেনের আত্মীয় মো. রোকনকে মারধর করা হয়। ঘটনা শুনে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত শাহজাহান জানান, তারা চলাচলের রাস্তার জন্য স্থানীয় ওমর আলীর কাছ থেকে ১ শতক জায়গা ক্রয় করেছেন এবং সেই জমিতেই রাস্তার কাজ করা হচ্ছিল।
এ বিষয়ে দেলোয়ার হোসেনের পরিবার কচুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে নোয়াগাঁও এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে ও সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। কচুয়া থানা পুলিশ জানায়, তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। ডিসিকে/ এমজেডএইচ








