প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৪৯
প্রান্তিক পর্যায়ে দরিদ্র মানুষের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে
....স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যসেবায় অব্যবস্থাপনার জন্য দায়ীদের প্রত্যেককে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে এবং সরকারি কর্মঘণ্টায় চিকিৎসকদের কর্মস্থলে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, “গ্রামের মানুষ যেন চিকিৎসার জন্য শহরে ছুটতে বাধ্য না হন, সে জন্য স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার।”
|আরো খবর
রোববার (৯ আগস্ট ২০২৬) বিকেলে মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্যসেবার সার্বিক পরিস্থিতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্যসেবার মান আরও জোরদার করতে হাসপাতালটিকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। এ উদ্দেশ্যে তিনি বিদ্যমান জায়গা ও ভবনের খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত দুটি ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে আলোচনার আশ্বাস দেন।
পরিদর্শনকালে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় ডাক্তার সিদ্দিকুর রহমান টুটুল ও নার্স রেহেনা আক্তারের একদিনের বেতন কর্তনের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। তবে হাসপাতালের খাবারের মান ও সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন তিনি।
পরবর্তীকালে মন্ত্রী হাসপাতালের নিকটবর্তী ‘সাকিব হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াবেটিস সেন্টার’ নামে একটি বেসরকারি ক্লিনিক পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ পরিবেশ ছাড়পত্র দেখাতে না পারায় তাদের এক মাসের সময় বেঁধে দেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ছাড়পত্র সংগ্রহে ব্যর্থ হলে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধের জন্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।
এছাড়া, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক (গাইনি ও প্রসূতিবিদ) ড. ফাতেমা আক্তার সপ্তাহে তিন দিন উক্ত ক্লিনিকে রোগী দেখেন জানতে পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং ক্লিনিকের রোগী দেখার রেজিস্টার খাতাটি বাজেয়াপ্ত করেন।
পরিদর্শনকালে মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম ইশমাম এবং মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাফিজুর রহমান মানিক মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন।








