প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৬, ২২:১০
রামচন্দ্রপুরে ডাকাতিয়ার ভাঙ্গন আতঙ্ক
হুমকির মুখে কেয়ারের সড়ক ও বসতবাড়ি

চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের রামচন্দ্রপুর (মমিনপুর) গ্রামে ডাকাতিয়া নদীর ভাঙ্গন বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্রামের মুন্সি বাড়ি সংলগ্ন মিজি বাড়ি (ডোনের বাড়ি) ডাকাতিয়া নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ভাঙ্গনে কবরস্থান ও বসতবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙ্গন আতঙ্কে রয়েছে পরিবারগুলো। ভাঙ্গনের শিকার পরিবারগুলো হচ্ছে : মোস্তফা মিজি, স্বপন মিজি, হানিফ মিজি ও ছিডু মিজির পরিবার।
|আরো খবর
ভাঙ্গনের শিকার পরিবারগুলো বলে, প্রতিবছরই ডাকাতিয়া নদীতে আমাদের বসতবাড়ি ও কবরস্থান ভেঙে যায়। এ বছর আগের চেয়ে বেশি ভাঙছে। যে কোনো সময় আমাদের পুরো বসতবাড়ি ভেঙে নদীতে চলে যাবে। আমাদের কোনো জায়গা জমি নেই যে অন্য জায়গায় গিয়ে ঘর নির্মাণ করবো। আমাদের বাড়ি ভেঙে গেলে পাকা সড়কও ভেঙে যাবে। আমরা ভাঙ্গন আতঙ্কে রয়েছি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য রিয়াজ উদ্দিন পাটোয়ারী ভুট্টাে বলেন, কোনার বাড়ি ও মিজি বাড়ি পূর্ব থেকে ভেঙে যাচ্ছে। ইদানিং ডাকাতিয়া নদীর ভাঙ্গন বৃদ্ধি পাওয়ায় বসতবাড়ি, কবরস্থান ভেঙে যাচ্ছে। পাকা সড়ক হুমকির মুখে রয়েছে। এ ব্যাপারে এমপি মহোদয়ের সাথে কথা বলে ভাঙ্গন রক্ষা করার জন্যে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্য মুনসুর খান বলেন, রামচন্দ্রপুর গ্রামটি আমার পাশের গ্রাম। গ্রামের কোনার বাড়ি ও মিজি বাড়ি ডাকাতিয়া নদীতে ভেঙে যাচ্ছে। ভাঙ্গন রক্ষায় কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।
চাঁদপুর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি, চাঁদপুর সদর উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক ও বাগাদী ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এইচএস সোরওয়ার্দী (সরওয়ার গাজী) বলেন, ভাঙ্গনের খবর শুনে ঘটনাস্থলে এসে দেখি কোনার বাড়ি, মিজি বাড়ি ডাকাতিয়া নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। পূর্ব থেকেই এখান দিয়ে ভেঙে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ভাঙ্গন বৃদ্ধি পেয়ে বসতবাড়ি ও কবরস্থান ভেঙে নদীতে চলে যায়। বাড়িটি ভেঙে গিয়ে পাকা সড়ক ভেঙে চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা পেতে নদীর তীরে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে ভাঙনকৃত স্থানে ফেলে রাখা হয়েছে। ভাঙ্গনকৃত স্থান রক্ষার জন্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলেছি যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হয়।
এ ব্যাপারে চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, এ বিষয়ে আমরা সাইট পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেবো।
ভাঙ্গনের খবর শুনে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই ২০২৬) দুপুরে জনাব এইচএস সোরওয়ার্দী (সরওয়ার) গাজী ভাঙ্গনস্থল দেখতে গেলে উপস্থিত ছিলেন বাগাদী ইউনিয়ন যুবদলের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিব খান, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট চাঁদপুর জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক দীপঙ্কর রায় দীপক ও হাফিজ আহমেদ প্লাবনসহ স্থানীয় লোকজন।







