প্রকাশ : ২৬ মে ২০২৬, ১৭:০৭
ওয়্যারলেস বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জেলা পরিষদ প্রশাসক

চাঁদপুর শহরে ওয়্যারলেস বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন চাঁদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড.
|আরো খবর
একেএম সলিম উল্যা সেলিম।
মঙ্গলবার (২৬ মে ২০২৬) দুপুরে তিনি ওয়্যারলেস বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান, জামিয়া ইসলামিয়া ফজলুল উলুম মাদ্রাসা ও মসজিদ পরিদর্শন করেন এবং দোকানী, মসজিদ কমিটির কর্মকর্তা, মাদরাসা কর্তৃপক্ষ, ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন।
জেলা পরিষদের প্রশাসক জানান, মানবিক কারণে দেখার জন্যে এসেছি। আমাদের স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক আমাকে জরুরি ভিত্তিতে পাঠিয়েছেন। তিনি রাষ্ট্রীয় কাজে ঢাকায় আছেন। আমরা দেখেছি অমানবিক ঘটনা। আমি ঢাকায় ছিলাম। আজকে এসে দেখে গেলাম। কে বা কারা এ ঘটনা করেছে, যারাই করেছে, যাদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছে, পুলিশ তদন্ত করছে। ন্যায় বিচারের জন্যে আমাদের এমপি সাহেব প্রশাসনকে বলবে। ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদ মাদ্রাসার সহযোগিতার জন্যে চেষ্টা করা হবে। সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। এমপি সাহেব আপনাদের পাশে, জনগণের সাথে আছে। কোনো সন্ত্রাসের পক্ষে নেই, ন্যায়ের পক্ষে আছেন।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আগুনে পুড়ে যাওয়া দোকানগুলো ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের দুঃখ-দুর্দশার কথা শোনেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
এ সময় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান গাজী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মো. জয়নাল আবেদীনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যা নাগাদ স্থানীয় দুপক্ষের বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, হামলা, জখমের ঘটনা ঘটে এবং একটি মার্কেটে আগুন দেওয়া হয়। মার্কেটে থাকা দোকানে মালামালসহ আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের ভবনে। ফলে পাশে থাকা জামিয়া ইসলামিয়া ফজলুল মাদ্রাসা ও মসজিদে মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ভয়াবহ এই আগুনে অনেক কিছুই পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের দাবি, এতে প্রায় কয়েক কোটি টাকার মালামাল ও সম্পদের ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয়দের সহযোগিতা ও ফায়ার সার্ভিসের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও ততক্ষণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যায়।








