প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৯:১৮
ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান
চাঁদপুর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের নামে ১৫ শতক ভূমির ব্যবস্থা করবো

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল ২০২৬) দুপুরে চাঁদপুর শহরস্থ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
|আরো খবর
- চক্ষু চিকিৎসায় চাঁদপুর রোটারী ক্লাব ও চক্ষু হাসপাতালের মহতী উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয় : জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান
- চাঁদপুরে আলিমে তিন মাদ্রাসার শতভাগ পাস, ফল বিপর্যয়ের কারণ খুঁজতে জেলা প্রশাসকের কঠোর নির্দেশনা
- চাঁদপুরে ইসকনের কার্যক্রম ও মন্দির বন্ধের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম
তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, চাঁদপুরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের নামে ১৫ শতাংশ জায়গার ব্যবস্থা করা হবে। এ ব্যাপারে চাঁদপুর সদর এসি (ল্যান্ড)কে চিঠি দেবো দ্রুত চাঁদপুর পৌর এলাকায় জায়গার ব্যবস্থা করতে। এ ছাড়াও বাবুরহাট শিশু পরিবারের ভেতরে জায়গা দেখবো। সেখানেও কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা করা যায় কিনা সেটা দেখবো। এক্ষেত্রে আমি সব ধরনের সহযোগিতা করবো।
তিনি আরো বলেন, আমরা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সব ধরনের সহযোগিতা করবো, তাদের পাশে থাকবো। বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্যে শিক্ষাবান্ধব ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো, পাঠদান পদ্ধতি এবং সহায়ক সেবার মান উন্নয়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির দাতা সদস্য ও চাঁদপুর প্রেস ক্লাব সভাপতি সোহেল রুশদী বলেন, বিদ্যালয়টির জন্যে ১৫ শতক ভূমির ব্যবস্থা করে দেয়ার জন্যে আমি ডিসি মহোদয়কে অনুরোধ করছি। বর্তমানে বিদ্যালয়টি যেখানে আছে তা স্থায়ী নয়। বিদ্যালয়ের জন্যে ১৫ শতক ভূমি খুবই প্রয়োজন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে বিদ্যালয়ের নামে ১৫ শতক ভূমি নামজারি করতে অনেক আগেই চিঠি দেয়া হয়েছে। নইলে বিদ্যালয়টি টিকিয়ে রাখা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। এখানকার শিক্ষার্থীরা কোথায় যাবে! তাদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাবে। আমি বিগত সময়ে আমার ব্যক্তিগত তরফ থেকে অত্র বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীকে স্কুল ড্রেস দিয়েছি। ভবিষ্যতেও দেয়ার চেষ্টা করবো। আমি সবসময় বিদ্যালয়ের কাজে সহযোগিতা করছি।
সভায় অংশ নেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, চাঁদপুর সরকারি কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ইসমাইল তপাদার কাঞ্চন, কমিটির সদস্যবৃন্দ যথাক্রমে সমাজসেবা অফিসার (নিবন্ধন) মো. মনিরুল ইসলাম, জেলা শিক্ষা অফিসারের প্রতিনিধি, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের প্রতিনিধি, জেলা মহিলা ও শিশু অধিদপ্তরের ফিল্ড সুপারভাইজার মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বিদ্যালয় কমিটির নির্বাহী সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মুজিবুর রহমান, প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা সুমন নন্দী, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সদস্য সচিব প্রতিমা রাণী ভৌমিক, সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম খান এবং অভিভাবক প্রতিনিধি মো. তাজুল ইসলাম মজুমদার।








