প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০২৬, ১০:২০
চার দশকের সৃজনযাত্রা

সাহিত্য একাডেমি, চাঁদপুরের প্রতিষ্ঠার ৪০ বছর পূর্তি আমাদের জন্য এক গৌরবময় অধ্যায়। চার দশক ধরে এই প্রতিষ্ঠান সৃষ্টিশীল কবি, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, গল্পকার এবং সংস্কৃতিমনা মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। মুক্তচিন্তার মানুষগুলো যখন সাহিত্য একাডেমির আড্ডায় একত্রিত হন, তখন সত্যিই মন আনন্দে ও অনুপ্রেরণায় ভরে ওঠে।
আজ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সেই দূরদর্শী মানুষদের, যাঁরা ৪০ বছর আগে সাহিত্য একাডেমি, চাঁদপুর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁদের স্বপ্ন, শ্রম ও নিষ্ঠার ফলেই এই প্রতিষ্ঠান আজও সাহিত্যপ্রেমী মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় অম্লান হয়ে আছে। আমার বিশ্বাস, আগামী দিনেও সাহিত্য একাডেমি একইভাবে সৃষ্টিশীলতার বাতিঘর হয়ে থাকবে।
চাঁদপুরের মানুষ বরাবরই প্রগতিশীল, উদার ও সাহিত্য-সংস্কৃতিমনা। এ জেলার শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ঐতিহ্য শুধু চাঁদপুরেই নয়, সমগ্র বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এই মাটিতে জন্ম নিয়েছেন প্রথিতযশা সাংবাদিক নাসির উদ্দীনসহ বহু কবি, সাহিত্যিক, নাট্যকার, কণ্ঠশিল্পী, অভিনেতা ও গুণীজন। আবার এই জনপদকে আলোকিত করেছেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামসহ অসংখ্য সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পদচারণা।
চাঁদপুরের সাহিত্য ও সংস্কৃতির অগ্রযাত্রাকে কোনো শক্তিই থামিয়ে রাখতে পারবে না। নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা প্রতিনিয়ত তাঁদের স্বরচিত কবিতা, গল্প ও সৃষ্টিশীল চিন্তা নিয়ে এগিয়ে আসছেন। এই ধারাবাহিক সৃজনযাত্রার পেছনে সাহিত্য একাডেমি, চাঁদপুরের অবদান অনস্বীকার্য।
অফুরন্ত ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা সাহিত্য একাডেমি, চাঁদপুরের প্রতি। চার দশকের এই আলোকিত পথচলা আরও দীর্ঘ হোক, আরও সমৃদ্ধ হোক।






