প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৭
পরিবেশবান্ধব জ্বালানি নিশ্চিতকরণে কুমিল্লায় জেলা পর্যায়ের বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং পরিবেশবান্ধব ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০’ বাস্তবায়নে দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
|আরো খবর
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের উদ্যোগে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক রোজী আকতারের সভাপতিত্বে এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় এতে প্রধান তত্ত্বাবধানকারী কর্মকর্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সবুর হোসেন। তিনি বলেন, “২০২৬-২০৩০ সালের এই কৌশলপত্রটি কেবল একটি কাগজনির্ভর পরিকল্পনা নয়; এটি আমাদের ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তার মূল রূপরেখা। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পরিবেশবান্ধব সৌরশক্তি, বায়োম্যাস ও আধুনিক প্রযুক্তির প্রসারে জেলা ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারাই মূল কারিগর। মাঠপর্যায়ে এই কৌশলের সফল বাস্তবায়ন দেশের টেকসই উন্নয়নের ধারাকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাবে।”
কর্মশালায় কৌশলপত্রের মূল লক্ষ্য ও কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন বিদ্যুৎ বিভাগের ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি-২’ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব তাহমিলুর রহমান। তিনি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির প্রসারে 'নেট মিটারিং' ব্যবস্থার কার্যকর ব্যবহার, সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পাঞ্চলের ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণের স্থানীয় চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি এ খাতে সরকারি প্রণোদনা, পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগ ও বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির নীতিগত দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
কর্মশালায় কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি), পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পবিস) ও সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থার জেলা পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং কারিগরি বিশেষজ্ঞগণ অংশগ্রহণ করেন।
দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে জেলা প্রশাসন ও বিতরণকারী সংস্থাগুলোর আন্তঃদপ্তর সমন্বয় নিশ্চিতকরণ এবং প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনার জন্য জেলা প্রশাসনের অধীনে একটি কার্যকর সমন্বিত পর্যবেক্ষণ কাঠামো গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।








