বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৬, ১৯:৫২

পশ্চিম সকদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাস্তার বেহাল দশা

সোহাঈদ খান জিয়া।।
পশ্চিম সকদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাস্তার বেহাল দশা

চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের পশ্চিম সকদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাস্তাটিতে বেহাল দশা বিরাজ করছে।

জানা যায়, পশ্চিম সকদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে তালুকদার বাড়ি পর্যন্ত কাঁচা রাস্তাটিতে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে চলছে এ বেহাল দশা। সামান্য বৃষ্টি হলে রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে রিকশা দিয়ে চলাচল দূরের কথা, পায়ে হেঁটে যাওয়াও অসম্ভব হয়ে পড়ে।

রাস্তাটি দিয়ে পশ্চিম সকদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম সকদী ডিবি উচ্চ বিদ্যালয় ও জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, কিন্ডারগার্টেন, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকার লোকজন চলাচল করে থাকে।

রাস্তার বেহাল দশার কারণে মুসল্লিরা সময় মতো মসজিদে যেতে পারে না। এছাড়া রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে পড়ার কারণে প্রায় সময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুরা ও উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা পিছলে পড়ে গিয়ে স্কুল ড্রেস নষ্ট করে বই-খাতা ভিজিয়ে বাড়িতে চলে যায়। এমন ঘটনা বর্ষা মৌসুমে প্রায়শই ঘটে থাকে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জায়গায় জায়গায় রাস্তায় গর্ত হওয়া স্থানগুলোতে বৃষ্টির পানি জমে কর্দমাক্ত হয়ে গেছে। উঁচু-নিচু রাস্তায় রিকশা তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটে যেতে কষ্টকর হয়ে যায়। বর্ষা মৌসুমে রাস্তায় চলাচল করতে দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। রাস্তার বেহাল অবস্থা দেখলে কেউ বলবে না এটা একটা জনবহুল রাস্তা। খানাখন্দের মতো অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে রাস্তাটির।

পশ্চিম সকদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. ইমরুল বলেন, রাস্তাটি দিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করে থাকে। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি হলে রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে পড়ায়

শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করতে কষ্ট হয়। রাস্তাটি পাকাকরণ জরুরি।

পশ্চিম সকদী ডিবি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হান্নানুর রহমান বলেন, রাস্তাটি কাঁচা হওয়ার কারণে চলাচল করতে কষ্টকর হয়ে পড়েছে। ছাত্র-ছাত্রী ও স্থানীয় লোকজন চলাচল করতে গিয়ে অনেকে পা পিছলে পড়ে যায়। বর্ষা মৌসুমে ছাত্র-ছাত্রীসহ জনসাধারণকে দুর্ভোগের মধ্যে চলাচল করতে হয়। রাস্তাটি পাকাকরণ করা হলে দুর্ভোগ লাঘব হবে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মুনসুর খান বলেন, দীর্ঘ ২০ বছর ধরে রাস্তাটি কাঁচা হওয়ায় জনসাধারণের দুর্ভোগের শেষ নেই। সামান্য বৃষ্টি হলে কাদায় একাকার হয়ে যায়। বর্ষা মৌসুমে রাস্তায় পানি উঠলে চলাচল করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরাসহ সকল বয়সী শিক্ষার্থী বর্ষা মৌসুমে প্রায়ই বিদ্যালয়ে যেতে চায় না। মুসল্লিরা সময়মতো মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করতে পারে না। রাস্তা পাকাকরণের জন্যে আবেদন করা হয়েছে। অনতিবিলম্বে রাস্তাটি পাকাকরণের জন্যে চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্যের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়