প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৩
কৃষি উদ্যোক্তাদের এ সংবর্ধনা স্মরণীয় হয়ে থাকবে

দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের মাসিক আয়োজন ‘কৃষিকণ্ঠে’র একাদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সফল ৬ জন কৃষি উদ্যোক্তাকে সংবর্ধনা প্রদান উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যা ৬টায় চাঁদপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘কৃষিকণ্ঠে’র বিভাগীয় সম্পাদক মাওলানা মো. আবদুর রহমান গাজী অনেক কষ্ট করে কৃষি পাতাটির প্রকাশনা অব্যাহত রেখেছেন। দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে আমার যে অভিজ্ঞতা, তাতে অকপটে বলতে পারি, নিয়মিত পাতা বের করা একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়। অনেক জাতীয় পত্রিকায়ও এমন কৃষিপাতা বের করা সম্ভব হয়ে উঠে না। চাঁদপুর কণ্ঠ সে কাজটি অব্যাহত রেখেছে। তিনি বলেন, আজকের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অন্য কৃষকরা উৎসাহ পাবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুর কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা, সস্পাদক ও প্রকাশক আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক সিরাজুল ইসলাম, চাঁদপুর কণ্ঠের প্রধান সম্পাদক কাজী শাহাদাত, নির্বাহী সম্পাদক মির্জা জাকির ও ম্যানেজার সেলিম রেজা। সংবর্ধিত কৃষি উদ্যোক্তারা হলেন : চাঁদপুর শহরের কোড়ালিয়া এলাকার বিসমিল্লাহ ডেইরি অ্যান্ড সুইটসের স্বত্বাধিকারী মো. হাবিবুর রহমান বেপারী, চাঁদপুর পৌরসভার কার্য সহায়ক ও পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের জিটি রোডস্থ ‘চাঁদবাগানে’র স্বত্বাধিকারী মো. আরিফুর রহমান ঢালী, চাঁদপুর পৌরসভার মির্জাপুর এলাকার মো. তুহিন খান, চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচণ্ডী ইউনিয়নের গাজী ডেইরী খামার ও পোল্ট্রি খামারের স্বত্বাধিকারী মো. জসিম উদ্দিন গাজী, প্রান্তিক কৃষক মো. বিল্লাল বেপারী এবং ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১৫নং রূপসা ইউনিয়নের গব্দেরগাঁও গ্রামের মৎস্য চাষী ও পল্লী এগ্রো ফার্মের স্বত্বাধিকারী ওসমান গনি। ‘কৃষিকণ্ঠে’ কৃষকদের সমস্যা, সম্ভাবনা, সাফল্য, সমস্যা সমাধানের উপায়, কৃষিবিদদের সুপরামর্শ, কৃষকদের নানান অভিজ্ঞতা প্রধানত তুলে ধরা হয়। গত ১১ বছরে মাঠ পর্যায়ে ছুটে গিয়ে এমন তুলে ধরার কাজটি ‘কৃষিকণ্ঠে’র বিভাগীয় সম্পাদক মাওলানা আব্দুর রহমান গাজী আন্তরিকতার সাথে করেছেন। এতে অশেষ প্রেরণা পেয়ে কৃষকসহ কৃষি উদ্যোক্তারা নিজেদেরকে কৃষিতে টেকসই করেছেন, অন্যের জন্যে নিজেদেরকে দৃষ্টান্ত হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। এঁদের মধ্য থেকে সফলতম ছয়জনকে ‘কৃষিকণ্ঠে’র পক্ষ থেকে যে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে, সেটা বস্তুত স্মরণযোগ্য। কেননা নারী উদ্যোক্তাসহ বিভিন্ন উদ্যোক্তার বিভিন্নভাবে মূল্যায়ন হলেও কৃষি উদ্যোক্তাদের বিশেষ মূল্যায়ন ও এককভাবে সংবর্ধনার আয়োজন বিরল ও ব্যতিক্রম। আশা করি, এ আয়োজনটি ভবিষ্যতের জন্যে দৃষ্টান্তমূলক হয়েই থাকবে। আমরা ‘কৃষিকণ্ঠে’র ধারাবাহিক প্রকাশনা, আরো ব্যতিক্রম উদ্যোগ ও সমৃদ্ধি প্রত্যাশা করছি।








