শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৩২

​মে মাসে চাঁদপুর জেলায় শ্রেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা নির্বাচিত হলেন যাঁরা--

সাফল্যের শীর্ষে কচুয়া থানা

চাঁদপুর জেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, মাদক উদ্ধার এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় অবদানের জন্যে মে (২০২৬) মাসের শ্রেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তাদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট ও কঠোর প্রাতিষ্ঠানিক মানদণ্ডে কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা পর্যালোচনা করে এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। এবারের মূল্যায়নে চাঁদপুর জেলার অন্যান্য থানার তুলনায় কার্যকারিতা ও সাফল্যের দিক থেকে রেকর্ড পরিমাণ গৌরব অর্জন করেছে কচুয়া থানা। কৃতী এসব কর্মকর্তাকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ অর্থ পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। পুরস্কার প্রদান করেন জেলা পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান। তাঁর কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মে মাসের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো-- সাফল্যের শীর্ষে কচুয়া থানা : এবারের মূল্যায়নে সবচেয়ে বেশি আলো ছড়িয়েছেন কচুয়া থানার কর্মকর্তাগণ। মে মাসের ‘বেস্ট অফিসার ইনচার্জ (ওসি)’ নির্বাচিত হয়েছেন কচুয়া থানার ওসি মো. আজিজুল ইসলাম। একই থানার মো. রাশেদুল হক অর্জন করেছেন ‘বেস্ট পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)’-এর মর্যাদা। এছাড়া মাঠপর্যায়ে অসামান্য কর্মদক্ষতা দেখিয়ে কচুয়া থানার এসআই (নি.) রুবেল সরকার ‘বেস্ট এসআই’ এবং একই থানার এএসআই (নি.) মো. শরিফুল ইসলাম-২ ‘বেস্ট এএসআই’ নির্বাচিত হয়েছেন। দ্বৈত মুকুট ও ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন : কচুয়া থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) রুবেল সরকার মে মাসে দ্বৈত গৌরব অর্জন করেছেন। বেস্ট এসআই হওয়ার পাশাপাশি তিনি মে মাসের ‘শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার’ হিসেবেও নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে চাঁদপুর জেলা থেকে ২৬ কেজি গাঁজা এবং ১০৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে একটি জটিল ও ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন কচুয়া থানার এসআই (নি.) ফ. ম. শাহজাহান। গত ৭ মে ২০২৬ তারিখে দায়েরকৃত কচুয়া থানার একটি হত্যা মামলার (মামলা নং-২১, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পিসি) কোনো প্রাথমিক ক্লু না থাকা সত্ত্বেও তিনি নিবিড় তদন্তের মাধ্যমে ২ জন আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও রেকর্ড করা হয়। ওয়ারেন্ট তামিল ও ট্রাফিক রাজস্বে রেকর্ড : চাঁদপুর সদর মডেল থানার এসআই (নি.) আব্দুল আলীম মে মাসে ‘শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার’ নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ৩০টি হুলিয়া পরোয়ানা, ১৭টি জিআর, ১৮টি সিআর এবং ৫টি জিআর সাজাসহ সর্বমোট ৪০টি ওয়ারেন্ট নিষ্পত্তি করেছেন। এদিকে শহরের ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষা ও সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়নে অসামান্য অবদান রেখে ‘শহর ও যানবাহন শাখার বেস্ট অফিসার’ নির্বাচিত হয়েছেন টিআই প্রবীর কুমার দাশ। তিনি মে মাসে সড়ক পরিবহন আইনে রেকর্ডসংখ্যক ৭২টি মামলা রুজু করেছেন এবং সরকারের রাজস্ব খাতে ৩ লাখ এক হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে জমা দিয়েছেন। জেলা পুলিশের বক্তব্য : চাঁদপুর জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কর্মকর্তাদের এই প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও অর্থ পুরস্কার প্রদান জেলা পুলিশের কর্মস্পৃহা আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। অপরাধ দমন এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাঁদপুর জেলা পুলিশ সর্বদা বদ্ধপরিকর। এ ধরনের নিয়মিত মূল্যায়ন ভবিষ্যতে পুলিশি সেবার মান আরও উন্নত করতে সহায়ক হবে।
সাফল্যের শীর্ষে কচুয়া থানা
মে মাসে শ্রেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তাদের সম্মাননা প্রদান করছেন চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান।

চাঁদপুর জেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, মাদক উদ্ধার এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় অবদানের জন্যে মে (২০২৬) মাসের শ্রেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তাদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট ও কঠোর প্রাতিষ্ঠানিক মানদণ্ডে কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা পর্যালোচনা করে এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। এবারের মূল্যায়নে চাঁদপুর জেলার অন্যান্য থানার তুলনায় কার্যকারিতা ও সাফল্যের দিক থেকে রেকর্ড পরিমাণ গৌরব অর্জন করেছে কচুয়া থানা। কৃতী এসব কর্মকর্তাকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ অর্থ পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। পুরস্কার প্রদান করেন জেলা পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান। তাঁর

কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মে মাসের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো--

সাফল্যের শীর্ষে কচুয়া থানা : এবারের মূল্যায়নে সবচেয়ে বেশি আলো ছড়িয়েছেন কচুয়া থানার কর্মকর্তাগণ। মে মাসের ‘বেস্ট অফিসার ইনচার্জ (ওসি)’ নির্বাচিত হয়েছেন কচুয়া থানার ওসি মো. আজিজুল ইসলাম। একই থানার মো. রাশেদুল হক অর্জন করেছেন ‘বেস্ট পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)’-এর মর্যাদা। এছাড়া মাঠপর্যায়ে অসামান্য কর্মদক্ষতা দেখিয়ে কচুয়া থানার এসআই (নি.) রুবেল সরকার ‘বেস্ট এসআই’ এবং একই থানার এএসআই (নি.) মো. শরিফুল ইসলাম-২ ‘বেস্ট এএসআই’ নির্বাচিত হয়েছেন।

দ্বৈত মুকুট ও ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন :

কচুয়া থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) রুবেল সরকার মে মাসে দ্বৈত গৌরব অর্জন করেছেন। বেস্ট এসআই হওয়ার পাশাপাশি তিনি মে মাসের ‘শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার’ হিসেবেও নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে চাঁদপুর জেলা থেকে ২৬ কেজি গাঁজা এবং ১০৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

অন্যদিকে একটি জটিল ও ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন কচুয়া থানার এসআই (নি.) ফ. ম. শাহজাহান। গত ৭ মে ২০২৬ তারিখে দায়েরকৃত কচুয়া থানার একটি হত্যা মামলার (মামলা নং-২১, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পিসি) কোনো প্রাথমিক ক্লু না থাকা সত্ত্বেও তিনি নিবিড় তদন্তের মাধ্যমে ২ জন আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও রেকর্ড করা হয়।

ওয়ারেন্ট তামিল ও ট্রাফিক রাজস্বে রেকর্ড :

চাঁদপুর সদর মডেল থানার এসআই (নি.) আব্দুল আলীম মে মাসে ‘শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার’ নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ৩০টি হুলিয়া পরোয়ানা, ১৭টি জিআর, ১৮টি সিআর এবং ৫টি জিআর সাজাসহ সর্বমোট ৪০টি ওয়ারেন্ট নিষ্পত্তি করেছেন।

এদিকে শহরের ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষা ও সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়নে অসামান্য অবদান রেখে ‘শহর ও যানবাহন শাখার বেস্ট অফিসার’ নির্বাচিত হয়েছেন টিআই প্রবীর কুমার দাশ। তিনি মে মাসে সড়ক পরিবহন আইনে রেকর্ডসংখ্যক ৭২টি মামলা রুজু করেছেন এবং সরকারের রাজস্ব খাতে ৩ লাখ এক হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে জমা দিয়েছেন।

জেলা পুলিশের বক্তব্য :

চাঁদপুর জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কর্মকর্তাদের এই প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও অর্থ পুরস্কার প্রদান জেলা পুলিশের কর্মস্পৃহা আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। অপরাধ দমন এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাঁদপুর জেলা পুলিশ সর্বদা বদ্ধপরিকর। এ ধরনের নিয়মিত মূল্যায়ন ভবিষ্যতে পুলিশি সেবার মান আরও উন্নত করতে সহায়ক হবে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়