প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:০০
বাথরুমে বেশি স্ট্রোক হয় কেন?

প্রতিনিয়ত বেইন স্ট্রোকে অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে। অনেকেরই বাথরুমে ব্রেইন স্ট্রোক হয়। মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে রক্ত সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটার ফলে যে জটিলতার দেখা দেয় তাকে বলা হয় স্ট্রোক। স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়া মানেই জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চলে যাওয়া। স্ট্রোক থেকে বেঁচে যাওয়া রোগী পঙ্গুও হয়ে যেতে পারে। তবে নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন করলে স্ট্রোকের ঝুঁকিমুক্ত থাকতে পারবেন।
কোষ্ঠকাঠিন্য
কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হওয়াটা কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। যারা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন তারা টয়লেটে গিয়ে স্বাভাবিক বাথরুম না হওয়ায় শরীরের ওপর অতিরিক্ত প্রেসার দেওয়ার কারণে স্ট্রোক করেন। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হলে নরম খাবার ও প্রচুর পানি পান করতে হবে।
উচ্চ রক্তচাপ ও নিম্ন রক্তচাপ
উচ্চ রক্তচাপ ও নিম্ন রক্তচাপ দুটোই শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। কারণ যা আপনার স্বাভাবিক রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটাবে। যারা উচ্চ রক্তচাপ ও নিম্ন রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন তারা বাথরুমে স্ট্রোক করেন। তাই রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে খাবার, ব্যায়াম ও ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।
ডায়াবেটিস
ডায়াবেটিস একটি হরমোন-সংশ্লিষ্ট রোগ। দেহযন্ত্র অগ্ন্যাশয় যদি যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে না পারে অথবা শরীর যদি উৎপন্ন ইনসুলিন ব্যবহারে ব্যর্থ হয়, তাহলে যে রোগ হয় তা হলো ‘ডায়াবেটিস’ বা ‘বহুমূত্র রোগ’। ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগী বাথরুমে বেশি স্ট্রোক করে থাকেন।
রক্তে উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল
রক্তে উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল থাকলে স্ট্রোক হতে পারে। কোলেস্টেরল, যা চোখে দেখা যায় না বা অনুভবও করা যায় না অথচ প্রতি মুহূর্তে ধমনিতে জমা হতে থাকে ধীরে ধীরে, যা জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। রক্তে উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল থাকলে অনেক সময় বাথরুমে স্ট্রোক হয়ে থাকে।
অ্যালকোহল গ্রহণ
অতিমাত্রায় মদ বা নেশাজাতীয় যে কোনো পানীয় গ্রহণ করলে স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কারণ অতিরিক্ত মদপানে অনেক সময় স্বাভাবিক চলাফেরা ব্যাহত হয় ও শরীরে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। ফলে হতে পারে মারণব্যাধি স্ট্রোক।








