প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৩:৩৩
আল-মদিনা একাডেমিতে ভাংচুরের ঘটনা
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভাংচুরকারীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবিতে মানববন্ধন

রাতের আঁধারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাংচুরকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষক, শিক্ষার্থী অভিভাবক ও এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল ২০২৬) সকালে ফরিদগঞ্জ উপজেলার ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নে আল-মদিনা একাডেমির সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
|আরো খবর
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এই অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে শিক্ষা ক্ষেত্রে এগিয়ে নেওয়ার জন্যে ১৩ বছর পূর্বে আল-মদিনা একাডেমী নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে প্রায় তিনশো শিক্ষার্থী রয়েছে। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরেই কিছু অজ্ঞাত লোকজন প্রতিষ্ঠানের পেছনে লেগেছে। সর্বশেষ গত ২৬ এপ্রিল রাতের আঁধারে প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা উপকরণ ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে। তাছাড়া চলতি পথে শিক্ষার্থীদের নানাভাবে করুচিপূর্ণ কথা বলে। এমতাবস্থায় প্রতিষ্ঠান রক্ষায় এই মানববন্ধনে নেমেছি। আশা করছি, প্রশাসন দ্রুত সজাগ হয়ে ব্যবস্থা নেবে।
ক'জন শিক্ষার্থী জানান, স্কুলে আসা-যাওয়ার সময় কিছু লোক প্রতিষ্ঠান নিয়ে নানা কথা বলে শুনেছি। আমাদের প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাংচুর হলেও পুলিশ অদ্যাবধি কাউকে আটক করতে পারেনি।
স্থানীয় এলাকাবাসীর পক্ষে আমির হোসেন বলেন, দুর্বৃত্তরা কেনো প্রতিষ্ঠানের ওপর হস্তক্ষেপ করলো, ভাংচুর করলো তা অবশ্যই প্রশাসন দেখবে এবং তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু গত ৪দিনেও কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। আমরা কিছুটা হতাশাগ্রস্ত।
প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মো. সেলিম হোসেন জানান, গত রোববার (২৬ এপ্রিল ২০২৬) সকালে প্রতিষ্ঠানে এসে দেখি শ্রেণিকক্ষ, ডাস্টবিন ভাঙ্গা ও কিছু ডাস্টবিন নেই। প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিষ্ঠানের বিকল্প গেট বন্ধ করে দেই। সোমবার (২৭ এপ্রিল ২০২৬) সকালে প্রতিষ্ঠানে এসে দেখি, দুর্বৃত্তরা বেশ ক'টি শ্রেণি কক্ষের টেবিল ও বেঞ্চ ভাংচুর করে ভেতরে এবং বাইরে ফেলে রেখে যায়। এমন পরিস্থিতিতে আমরা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। তাই বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে এসেছে।
প্রতিষ্ঠানের সভাপতি শরিফ মজুমদার জানান, প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাংচুুরের পর আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। পুলিশ এসে সরেজমিন ঘটনা দেখে গিয়েছে। কিন্তু এরপর থেকে আর কোনো অগ্রগতি নেই। তাই বাধ্য হয়ে প্রতিষ্ঠানের হিতৈষি লোকজন মানববন্ধনে এসে দাঁড়িয়েছে।








