প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:৪৮
অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে উচ্চশিক্ষা সহযোগিতা জোরদারে ড. সবুর খানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং কৌশলগত প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারত্বের নতুন পথ উন্মোচনের লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়া সফর করছে বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের নেতৃত্বে ৬ দিনব্যাপী (২৫–৩০ অক্টোবর ২০২৬) এ সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
|আরো খবর
সফরের অংশ হিসেবে প্রতিনিধি দলটি ইতোমধ্যে অস্ট্রেলিয়ার খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—ইউনিভার্সিটি অব সিডনি, ম্যাককুয়ারি ইউনিভার্সিটি ও টিএএফই এনএসডব্লিউ পরিদর্শন করেছে। পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দলটি আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সম্পন্ন করে। এর মধ্যে ম্যাককুয়ারি ইউনিভার্সিটির প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর (গ্লোবাল) অধ্যাপক অ্যান্থনি কাহালান এবং ইউনিভার্সিটি অব সিডনির আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ড্যানিয়েল মুইরের সাথে পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিনিধি দলে সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনের (অস্ট্রেড) দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কমিশনার ভিক সিং এবং ঢাকাস্থ অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের জ্যেষ্ঠ পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়া অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এডাস্ট) চেয়ারম্যানসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি ও উচ্চশিক্ষা খাতের অংশীজনেরা এ দলে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
সিডনির ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত ‘অস্ট্রেলিয়ান ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন কনফারেন্স (এআইইসি) ২০২৬’-কে কেন্দ্র করেই মূলত এ সফরের আয়োজন। এই সম্মেলনের মাধ্যমে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়, আন্তর্জাতিক শিক্ষা খাতের নেতৃবৃন্দ এবং নীতিনির্ধারকদের সাথে পারস্পরিক মতবিনিময়ের অনন্য সুযোগ তৈরি হয়েছে।
সফর প্রসঙ্গে ড. মো. সবুর খান অস্ট্রেলিয়ার আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “দ্বিপক্ষীয় আলোচনার সিদ্ধান্তগুলোকে বাস্তবভিত্তিক অংশীদারত্বে রূপ দেওয়া জরুরি। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারিত হবে, যা প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে।”
শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও উচ্চতর গবেষণায় টেকসই অংশীদারত্ব তৈরি হবে, যা বৈশ্বিক অঙ্গনে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতের ভাবমূর্তি ও সক্ষমতা আরও উজ্জ্বল করবে।







