প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৫৯
কচুয়ায় ক্লুলেস চুরির রহস্য উদঘাটন, স্বর্ণালঙ্কারসহ গ্রেপ্তার ২

কচুয়ায় বাসা ভাড়া নেওয়ার কথা বলে এক দুর্ধর্ষ ক্লুলেস চুরির ঘটনায় জড়িত চোর চক্রের দু সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর তাঁতীবাজারের একটি দোকান থেকে ৩ ভরি ১ আনা ৪ রতি চোরাই স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়।
|আরো খবর
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—কুমিল্লার হোমনা উপজেলার নিকলি গ্রামের মৃত আকবর আলীর ছেলে মো. ইব্রাহিম (৫০) এবং মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মো. বিল্লাল হোসেন (৪০)।
পুলিশ জানায়, গত ২৬ জুলাই ২০২৬ কচুয়া পৌরসভার বাসিন্দা মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের (৪৮) বাসায় ভাড়া নেওয়ার কথা বলে চার-পাঁচজনের একটি চক্র প্রবেশ করে। একপর্যায়ে চক্রটি কৌশলে গৃহকর্ত্রীর ব্যবহৃত গহনা পরিষ্কার করে দেওয়ার কথা বলে তার গলা, কান, নাক ও হাতের গহনা খুলে নেয়। এরপর বিশ্বাস অর্জনের জন্যে গৃহকর্ত্রীর হাতে কিছু নকল স্বর্ণের মতো বস্তু দিয়ে তা ফ্রিজে রেখে আসতে বলে। তিনি ফ্রিজে সেগুলো রাখতে গেলেই সুযোগ বুঝে গহনাগুলো নিয়ে চোর চক্রটি সটকে পড়ে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, চোর চক্রটি গৃহকর্ত্রীর ৬ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যায়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৩ লাখ টাকা।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার কচুয়া থানায় মামলা দায়ের করলে চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রুবেল সরকার ও এএসআই রুহুল আমিনের সমন্বয়ে গঠিত এই টিমের নেতৃত্ব দেন কচুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ রাশেদুল হক।
তদন্তকারী দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার ডেমরা থেকে ইব্রাহিমকে এবং মুন্সিগঞ্জের লৌহজং থেকে বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকার কোতোয়ালী থানার তাঁতীবাজারের একটি স্বর্ণের দোকানে অভিযান চালিয়ে চুরি যাওয়া স্বর্ণের একাংশ উদ্ধার করা হয়।
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। চক্রের অন্যান্য সদস্যকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।








