মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৬, ২২:১৮

লঞ্চযাত্রীদের সেবার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা

চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট।।
লঞ্চযাত্রীদের সেবার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা

চাঁদপুর নৌ-টার্মিনালে যাতায়াতকারী লঞ্চসমূহে যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, নিম্নমানের খাদ্য পরিবেশন ও অতিরিক্ত মূল্য আদায় রোধকল্পে মতবিনিময় সভা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট ২০২৬) দুপুর সাড়ে ১২টায় অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান।

তিনি বলেন, প্রতিটি যাত্রীবাহী লঞ্চে হটলাইন নম্বর দৃশ্যমান সকল স্থানে লাগাতে হবে। যাতে করে যাত্রীরা তাদের অভিযোগসমূহ ওই নম্বরে জানাতে পারেন। লঞ্চ থেকে কোনোভাবেই বর্জ্য নদীতে ফেলা যাবে না। অনেকে লঞ্চ ঘাটে ভিড়লে লঞ্চে থাকা বর্জ্য নদীর পানিতে ফেলে দেয়, তা রোধ করতে হবে। কেবিনের সামনে যাতে অতিরিক্ত চেয়ার না থাকে বা ডেকের যাত্রীরা ভিড় না করেন, সেদিকে লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে খেয়াল রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, টয়লেটের বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলা কী করে বন্ধ করা যায়, সে বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবে। রকেট স্টিমার ঢাকা-চাঁদপুর রুটে চালু করার জন্যে চেষ্টা করা হবে। ঈদের সময়ে অনেক অভিযোগ এসেছে, মোটরসাইকেল লঞ্চে পরিবহনে বেশি টাকা নেওয়া হয়। এটা করা যাবে না। সকল লঞ্চে টয়লেট যেন পরিচ্ছন্ন থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। খাবার পানির বিষয়ে লঞ্চ মালিকদের খেয়াল রাখতে হবে। লঞ্চে যে ক্যান্টিন রয়েছে, তাতে পণ্যের দাম বেশি রাখা হয়, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর নদীবন্দর কর্মকর্তা কামরুজ্জামান, চাঁদপুর নৌ অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, চাঁদপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরান, ক্যাব ও লঞ্চ মালিক প্রতিনিধি মো. বিপ্লব সরকার, আজগর আলী সরকার ও ইউসুফ আলী বেপারী।

সভাঢ চাঁদপুর নদীবন্দরের তত্ত্বাবধায়ক সাইফুল ইসলাম, চাঁদপুর নৌ-থানার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, ঢাকা-চাঁদপুর রুটে ২০/২২টি লঞ্চ চলাচল করে। প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। লঞ্চগুলো ৫০০ থেকে সাড়ে ৯০০ যাত্রী বহন করতে পারে। লঞ্চ মালিকরা যাত্রীসেবা নিশ্চিতে প্রতিনিয়ত কাজ করছে। এ বিষয়ে লঞ্চ মালিক প্রতিনিধিরা লঞ্চের যাত্রীসেবার প্রতি খেয়াল রাখেন। ক্যান্টিনে যেন বাসি খাবার পরিবেশন না করা হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। লঞ্চের ক্যান্টিনে পণ্যের দাম বাজারমূল্যের থেকে দ্বিগুণ, অনেক সময় তার থেকেও বেশি রাখা হয়। কিছু কিছু সময়ে বাসি খাবারও পরিবেশন করা হয়।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়