শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১:৩৮

জিয়াউর রহমানকে খলিফাতুল মুসলিমিন উপাধি দিয়েছেন ওলামায়ে কেরাম

----মুফতি সিরাজুল ইসলাম

সংবাদদাতা।।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দ্বীন ইসলাম, আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে আজীবন অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ওলামায়ে কেরাম তাঁকে ‘খলিফাতুল মুসলিমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন বলে জানিয়েছেন জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুফতি সিরাজুল ইসলাম। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জমিয়তে উলামা ইসলাম বাংলাদেশ ও বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগকালে এক পথসভায় এমন মন্তব্য করেছেন তিনি।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) চাঁদপুরের বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন পথে-ঘাটে এবং কল্যাণপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিকভাবে পথসভা ও নির্বাচনী গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জমিয়তে উলামা ইসলাম বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুফতি সিরাজুল ইসলাম।

মুফতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, “প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সব সময় দেশের সার্বিক কল্যাণ, দ্বীন ইসলামের উন্নয়ন, আলেম-ওলামা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায়

নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বীকৃতি আদায়ে তিনি নিরলসভাবে কাজ করেছেন। পাশাপাশি মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণ, ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তার ও আলেম সমাজের মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান ছিলো অনস্বীকার্য। এসব কারণেই তাঁর শাহাদাতের পর দেশের ওলামায়ে কেরাম তাঁকে ‘খলিফাতুল মুসলিমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।”

তিনি আরও বলেন, “এই কথাকে ধারণ করেই আজ ধানের শীষের পক্ষে আমরা মাঠে নেমেছি। আগামী ১২ তারিখ ধানের শীষে ভোট দিয়ে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক ভাইকে বিজয়ী করতে আলেম-ওলামা, ইমাম-খতিব, মাদ্রাসার শিক্ষকসহ সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ চালিয়ে যেতে হবে।”

পথসভায় বক্তারা বলেন, শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক একজন জনবান্ধব ও গ্রহণযোগ্য নেতা। তাঁর বিজয়ের মধ্য দিয়েই এলাকার উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা পাবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পথসভা ও গণসংযোগে জমিয়তে উলামা ইসলাম বাংলাদেশ ও বিএনপির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, আলেম-ওলামা, মাদ্রাসার শিক্ষক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়