প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:১৮
শাহরাস্তিতে রাতের আঁধারে টপ সয়েল কাটার মহোৎসব

|আরো খবর
জানা যায়, প্রশাসন কখন বের হয় সে তথ্য সরবরাহের জন্যে মাটি ব্যবসায়ীরা উপজেলার বিভিন্ন সড়কে ও বাজারে নিজস্ব লোক রেখে তথ্য নিশ্চিত করে। তাতে প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে অনেককেই পায় না।
উপজেলায় ২৫টির মতো ইটভাটা রয়েছে। এসব ইটভাটায় ইট তৈরিতে ব্যবহৃত অধিকাংশ মাটিই আসে কৃষিজমি থেকে। কোনো কোনো কৃষি জমি থেকে ৫ থেকে ৬ ফুট গভীরতায় মাটি কেটে আনা হয়।
স্থানীয় কয়েকজন কৃষক জানান, কিছু এলাকায় প্রশাসন সীমিত অভিযান করলেও অভিযানের পরেই আবার শুরু হয় মাটি কাটা। এর ফলে জমির উর্বরতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং ফলন অর্ধেকে নেমে আসছে।
সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের স্বেতি নারায়ণপুর মাঠ, পাথৈর মাঠ, সূচীপাড়া উত্তর ইউনিয়নের সূচীপাড়া মাঠ, চাঁদপুর মাঠ, বড়ুয়া মাঠ, চিতোষী পূর্ব ইউনিয়ন, রায়শ্রী দক্ষিণ ইউনিয়ন, রায়শ্রী উত্তর ইউনিয়নসহ উপজেলার প্রায় ১০ ইউনিয়ন ও পৌরসভার নোয়াঁগাও এবং ছিখুটিয়া ব্রিজ সংলগ্ন মাঠ থেকে রাতব্যাপী মাটি কেটে নেওয়া হয় ইটভাটায়।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে, উপজেলায় প্রায় ১১ হাজার হেক্টর কৃষি আবাদি জমি রয়েছে। আবাদি জমির মাটি কাটার ফলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক কৃষক নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই বিক্রি করছে টপ সয়েল।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, টপ সয়েল কাটার অপরাধে ইতোমধ্যে কয়েকজনকে জরিমানা করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে মাটি কাটায় ব্যবহৃত ভেকুর সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি আমরা সবাইকে মাটি কাটা বন্ধে সচেতন হওয়ার কথা বলে আসছি। টপ সয়েল কাটা বন্ধ রাখতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ডিসিকে/এমজেডএইচ







