সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:৪৯

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

১৭ বছর পর মুক্ত এবং উৎসবমুখর পরিবেশে প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা করছে

নুরুল ইসলাম ফরহাদ।।
১৭ বছর পর মুক্ত এবং উৎসবমুখর পরিবেশে প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা করছে

এ এক অন্যরকম পরিবেশ। নতুন ভোটারদের কাছে এ পরিবেশ সম্পন্ন অপরিচিত। বিগত ১৭ বছর এমন পরিবেশ পায়নি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীরা। প্রায় ১৭ বছর পর দেশে একটি প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এই ভোট যাত্রা শুরু হয়েছে ২২ জানুয়ারি থেকে। সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে একতরফা নির্বাচনের আড়ষ্টতা কাটিয়ে প্রকাশ্যে ফিরছে ভোটের উৎসব।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এবারের নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি হিসেবে সামনে এসেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ও জামায়াত ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোট'। বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোতে সাধারণ মানুষের মাঝে ভোটের কোনো আগ্রহ ছিলো না। একতরফা নির্বাচনের কারণে প্রচার চলতো মূলত নিজেদের (আওয়ামী লীগ বনাম বিদ্রোহী) মধ্যে। এবার বিএনপি, জামায়াতসহ রেকর্ড ৪৯টি দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। আওয়ামী লীগের কঠিন মিত্র জাতীয় পার্টি এবং ইসলামী আন্দোলনও এবার নির্বাচন করছে। সকল দলের এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মাঠে নামায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে নির্বাচনী ময়দান। বিশেষ করে তরুণ প্রার্থীদের বিপুল অংশগ্রহণ এবারের নির্বাচনে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে।

ইসির প্রাপ্ত তথ্যমতে, এবারের নির্বাচনে ২৯৮টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১৯৭২ জন প্রার্থী। অর্থাৎ প্রতিটি আসনে গড়ে প্রায় ৭ জন লড়াই করছেন।

ভোটারটের মধ্যে বিশাল একটি অংশ হলো তরুণ। যারা বিগত ১৭ বছর ভোট দিতে পারেনি। তাদের মধ্যে প্রবল আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। অধীর আগ্রহ নিয়ে বসে আছেন তারা, যারা বিগত দিনগুলোতে তাদের পছন্দের মার্কায় ভোট দিতে পারেননি। নির্বাচনী আচরণবিধি পরিবর্তন হলেও পরিবর্তন হয়নি মানুষের ভোট উৎসবের।

ফরিদগঞ্জ উপজেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে ঘুরে বিভিন্ন অফিসে, বাজারে, চায়ের দোকানে মানুষের সাথে কথা বলে, তাদের বিপুল আগ্রহের কথা জানা যায়। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, দীর্ঘ অপেক্ষার পর এবারের ভোট হবে অবাধ, সুষ্ঠু এবং উৎসবমুখর। প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সবার জন্যে সমান নির্বাচনের মাঠ তৈরি করবে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়