প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২১:৪৯
পাচারকালে জেলেদের ৯২ বস্তা চাল জব্দ, সিএসডি গোডাউনে স্থানান্তর

চাঁদপুর সদর উপজেলায় মা ইলিশ রক্ষা কর্মসূচির আওতায় ভিজিএফের চাল আত্মসাতের একটি অপচেষ্টা নস্যাৎ করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের বিরুদ্ধে জেলেদের বরাদ্দকৃত চাল গোপনে বিক্রি ও পাচারের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
|আরো খবর
স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, হাজীগঞ্জ এলাকা থেকে পাচারকালে গাড়িভর্তি ৯২ বস্তা (প্রায় ৫ টন) সরকারি চাল আটকের উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। দীর্ঘ সময় চেষ্টার পর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সরাসরি হস্তক্ষেপে চালগুলো উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী জব্দ করা চাল চাঁদপুর সিএসডি গোডাউনে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্য মতে, লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা প্রায় সাড়ে চার হাজার। ইউনিয়ন পরিষদের গোডাউনে একবারে এতো চাল রাখার ধারণক্ষমতা না থাকায় অতীতে দুই ধাপে সরকারি গুদাম থেকে চাল আনা হতো। অথচ এবার চাল বিতরণ শুরুর আগেই তা বাইরে পাচারের চেষ্টা করা হলো। এ ঘটনার নেপথ্যে থাকা মূল চক্রকে চিহ্নিত করতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউপি সচিবের বক্তব্য :
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের সচিব গোলাম মোস্তফা শামীম বলেন, "আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব আমি সঠিকভাবে পালন করেছি। এ ইউনিয়নে চালের মোট বরাদ্দ ছিল ১১৩ মেট্রিক টন। এর মধ্যে ১০৪ টন চাল ইউনিয়ন পরিষদের গুদামে রাখা সম্ভব হয়েছে। জায়গার অভাব থাকায় বাকি ৯ মেট্রিক টন চাল সরকারি সিএসডি গুদামেই থেকে যায়।"
তিনি আরও বলেন, "আগামী বুধবার থেকে ইউনিয়নের নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে মা ইলিশ রক্ষা কর্মসূচির চাল বিতরণ শুরু হবে। চাল বিতরণ যেখানে শুরুই হয়নি, সেখানে তা বিক্রির অভিযোগ ভিত্তিহীন। নিয়ম মেনেই সব প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে।"








