রবিবার, ০৩ মে, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৬, ০০:৫১

নিকুঞ্জ নিকেতন

রাজীব কুমার দাস
নিকুঞ্জ নিকেতন

(পূর্ব প্রকাশের পর)

২৩.

আমাদের সুগঠিত জীবন এখন অনেকটা বিক্ষিপ্ত। সকলের মনে একটা শংকা নরেন্দ্র-দাকে নিয়ে। গত মাসেই হাসপাতাল থেকে সারিয়ে আনা হলো আর এবার আগের মতোই শারিরীক অবস্থা। নরেন্দ্র দা আমাদের বেরং পৃথিবীর আশার প্রদীপ হয়ে কভু জ্বলেছিল অথচ তার জীবনের প্রদীপ আজ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। আমাদের কারো নাওয়া-খাওয়া নেই উনার এই অবস্থা দেখে। বিশাখা প্রতিনিয়ত পাশে আছে আর সাথে আমরাও। হাসপাতালের তৃতীয় দিনে হঠাৎ ভেঙে পড়েন তিনি।

‘আমার রাজীবকে একটাবার দেখতে পারতাম। ছেলেটা কেন এত দূরে বলতে পার?’

‘রাজীবকে বলব তোমার এ অবস্থার কথা?’

‘না থাক ওর জীবনটা গড়ে নেওয়ার সময় এখন আমার মায়ায় সে বঁাধা পড়তে পারে। একমাত্র ছেলে তো তাই এমনটা মনে হয়। ও কিছু না তোমরা তাতে মন খারাপ করবে না। আমি বেশ আছি।’

‘কাকাবাবু স্যুপটা নাও।’

‘আমায় বাবা বলতে পারিস না?’

‘ঠিক আছে বলছিÑবাবা আপনার স্যুপ।’

‘আমার একটা আবদার রাখবি মা?’

‘আবদার না বাবা আপনি আদেশ করবেন।’

‘আমি যে বালা জোড়া আর বেনারসিটা সেদিন তোকে দিয়েছিলাম সেটা পড়ে আসতে পারবি? আমি আমার রাজীবের বউকে দেখতে চাই।’

‘ঠিক আছে এবার আপনি স্যুপটুকু সম্পূর্ণ খেয়ে নিন।’

কাকাবাবু বারণ করলেও রাজীবকে তার বাবার অবস্থা জানানো প্রয়োজন। আজ বিকেলেই কল দিয়ে সবকিছু জানিয়ে দিব। আমাকে ছেলের বউ হিসেবে দেখতে চান আর আমিও তো সে স্বপ্ন লালন করেছি বহুকাল ধরে। রাজীব সম্পর্কে জানি না তবে কাকাবাবুর মনের আশাটা আমি অবশ্যি পূরণ করব। আমাদের অভিমান আর হটকারিতার কাছে এই মানুষটা কেন অসম্পূর্ণ বাসনা রেখে অন্তীম যাত্রা করবেন। বিকেলে যথারীতি রাজীবকে কল দিয়ে জানানোর সাথে সাথে সে উন্মাদের মতো হয়ে যায় দেশে আসার জন্য। আমাকে বলেÑদু একদিনের মধ্যেই দেশে ফিরার ব্যবস্থা করছি। কাকাবাবুর কথা অমান্য করে এ কাজ করা কতটা যথার্থ ছিল জানা নেই তবে মন বলেছিল এটা করা প্রয়োজন। উনার এ অবস্থা তাকে না জানালে সে সারাজীবনের জন্য আমাকে অপরাধীর কাতারে দঁাড় করিয়ে দিবে। বিকেলে যথারীতি হাসপাতালে যাই বেনারসী আর বালাজোড়া পড়ে। আমার বাবা-মাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আমি বুঝতে পারছি মা আমাকে এই অবস্থায় দেখে সহজে বুঝে উঠতে পারছিলেন না বিষয়টা কী ঘটছে। বেডে শোয়া ছিলেন কাকাবাবু, আমাকে দেখে বাবা-মাকে একটু বাইরে যাওয়ার জন্য বলেন। উনারা আমায় পাশ কাটিয়ে চলে যান আর যাওয়ার সময় মা আমার দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে বের হচ্ছে।

‘বাহ্ আমার রাজীবের বধূ বেশে তোকে খারাপ মানায়নি। এদিকে আয় আমার কাছে বস।’

‘কাকাবাবু আপনি শুয়ে থাকুন উঠার প্রয়োজন নেই।’

‘(উত্তেজিত হয়ে) আমি বলেছি না তোকে আমায় বাবা বলে ডাকবি। শশুর হলে কী কাকাবাবুই ডাকতি?’

‘আমার ভুল হয়ে গেছে বাবা ক্ষমা করবেন।’

‘আমি যে কয়টা দিন বেঁচে আছি আমায় বাবা বলে ডাকিস। আজ তোকে কিছু দায়িত্ব দিয়ে যেতে চাই। জানি না আর ফিরতে পারব কী না নিকুঞ্জ নিকেতনে?’

‘বাবা, আপনি অমন কথা কেন বলছেন? আপনি অবশ্যি ফিরবেন নিকুঞ্জ নিকেতনে।’

‘জানিস, ওখানে এখনো তনুশ্রীর অস্তিত্ব অনুভব করি। এই বুঝি আমার কাছে এসে বসে বলবেÑকী গো চা খাবে? এসো বারান্দায় বসে জোছনা দেখি। কখনো আবার মনে হয় আমার রাজীব এই বুঝি পেছন থেকে এসে জোরে চিৎকার দিয়ে আমায় ভয় পাইয়ে দিবে আর চটজলদি পালাবে ছোট ছোট পায়ে। রাজীব কেন আসে না, ও কী বাপকে ভুলে গেল? না না...ওর তো এখন অনেক কাজ অনেক দায়িত্ব, আসবে সবকিছু গুছিয়েই আসবে। জানিস সে তার বাবাকে অনেক ভালোবাসে। তাকে বলে দিস আমার কোনো অভিযোগ নেই, কোনো অভিমান নেই। যদি পুনরায় মানুষ হয়ে জন্ম নেই তাহলে তোর-রাজীবের সন্তান হয়ে আবার আসব আর তখন আমরা একসাথে থাকব। তুই হবি আমার মা আর রাজীব বাবা। সন্তানের জন্য বাবার যে কী হাহাকার সেটা তখন বুঝবে সে যেমনটা আমি বুঝি।’

‘বাবা চুপ করুন আমি আর সইতে পারছি না।’

‘এ কী রে তুই কঁাদছিস। ওরে না, আমি তো তোকে কঁাদানোর জন্য কথাগুলো বলিনি। দেখ দেখি মেয়ের কাণ্ড আমাকে এভাবে জড়িয়ে কঁাদলে তোদের মায়ায় যে বঁাধা পড়ে থাকব। ঠিক আছে ওঠ আমি আর এসব বলছি না।’

‘মায়ার বঁাধনে আমি তোমায় বঁাধছি নাকি তুমি আমায় বঁাধছ।’

‘ঠিক আছে এবার গুরুত্বপূর্ণ কথা বলি। আমার কিছু ডায়েরি আছে যেগুলো প্রত্যেকটা যত্ন করে কেবিনেটে রাখা আছে সেগুলো রাজীবকে দিয়ে দিস। ও জানে আমার ডায়েরি লেখার অভ্যেস আছে তাই সেটা পড়তে চাইবে সে। আমার শেষ ডায়েরিটা প্রথমে দিবি আর এই চিঠিটা।’

‘এগুলো তো তুমিই দিতে পার।’

‘আমার বুঝি সে সময়টুকু হবে না আর হলেও আমি পারব না তাকে কিছু বলতে। আমার বউমা হিসেবে তোকেই দায়িত্বটা নিতে হবে। কী পারবি না?’

আমি হাত পেতে ডায়েরি আর চিঠিটা নিয়ে নেই। কাকাবাবুর কথাগুলোয় কিছু একটা ইঙ্গিত প্রকাশ পাচ্ছে, যদিও তা স্পষ্ট নয় তবে কিছু একটা আছে নতুবা আমায় এ দায়িত্ব নিতে বলতেন না। রাজীব কালকের মধ্যেই চলে আসবে আমায় বলেছে। কিছুক্ষণ পর বাবা-মাকে ডাকতে বলায় আমি বাইরে গিয়ে তাদের ডেকে নিয়ে আসি। বাবা-মা রুমে এসে দঁাড়ালেন অমনি পেছন থেকে ঢুকলেন সারোয়ার ও অনিমেষ আংকেল।

[পরের পর্ব আগামী সংখ্যায় ছাপা হবে]

আবদুর নূর রাজ্জাক

পথ

কতজন হেঁটে গেছে অবিরাম

সাথে নিয়ে—

হাসি-কান্না

স্বপ্ন-দুঃস্বপ্নের রেখাচিত্র,

জীবন ও মৃত্যুর অনিবার্য ছায়ায়

পথের বঁাকে নেই তার কিছু।

কেউ পেয়েছে রৌদ্রের দহন,

বৃষ্টির স্নিগ্ধ শীতলতা;

কেউ পেয়েছে প্রেম—

অদৃশ্য নিবিড় শান্তি

কেউ পেয়েছে সান্নিধ্য—

নিঃশব্দ আশ্রয়ের উষ্ণতা।

কেউ পেঁৗছে গেছে

রাতের গভীর মন্থনে,

যেখানে সময় থমকে দঁাড়ায়

অজানা অনুভবের দোরগোড়ায়।

অতঃপর কেউ—

অপূর্ণতার বোঝা বয়ে রয়ে গেছে

থেমে গেছে অবিরাম চলা পা

তবু শেষ হয় না পথের নেশায় ভরা জীবন—

ক্লান্তিহীন, অনন্ত অভিযাত্রা

মো. ফরহাদ হোসেন

স্বপ্ন

জন্ম আমার পাখির বাসায়

উড়ার স্বপ্ন নিয়ে,

তবুও আমি উড়তে পারিনি

পশু মানবের ভয়ে।

বললাম মাকে আকুতি করে

আমায় নিও সাথে,

তবেই আমি উড়তে পারবো

তোমাদের মতোই করে।

কত ভয়ানক গল্প শুনালো

রাত্রি ভরে মা,

আরো কত ভয় দেখালো

করলো আমায় মানা।

কে এসবে কান দিয়েছে

কেবা শুনে কথা,

কাল সকালে মুক্ত হবো

আমি পাখির ছানা।

সকাল হলো খুশি মনে

উড়বো বলে মায়ের সাথে,

বুঝার আগেই হয়েছি শিকার

পশু মানবের হাতে।

স্বপ্ন আমার স্বপ্নই থাকলো

পূরণ হলো আর কই,

আমি যে এক অবুঝ ছানা

ডানা ভেঙ্গে রই।

উড়বার স্বপ্ন নাই বা আর হোক

এই পাখিটির মনে,

তবেই আমি থাকবো খুশি

ওই বিধাতার কোলে।

খায়রুল আলম

আনন্দের প্রস্থান

সমুদ্র সমান অপূর্ণ স্বাধ

শূণ্যালয়ে তোমার উষ্ণতার ছেঁায়া

চোখে গঙ্গা বয়, মায়ার পক্ষ

ছিঁড়ে খায় আমার বক্ষ।

বক্ষ উদরে পাহাড় চাপে

নিশ্বাস বন্ধ হয়ে তৃষ্ণা আসে,

তোমায় খুঁজে, সেই তৃপ্তি,

শেষ দেখা, সন্ধাকূলে সমাপ্তি।

জলে ও ডাঙ্গায়, দালান কুটুরিতে

দূর্বাঘাসের মরু-বালুকায়,

বিদায় বংশী বাজ, প্রাণের অন্তরালে,

চিত্ত গহীনে, মরুঝঞ্ঝা চলে।

ভাঙ্গা নৌকার জীর্ণশীর্ণ পালে,

চোখে হারানোর যেই দোল,

ধাক্কা দিয়ে যায়, এই বক্ষে,

হায়, কেয়ামত ঘটে যায়।

মোহাম্মদ শামীম মিয়া

প্রাণের বৈশাখ

বৈশাখে ভরে উঠে

সব বাঙালির প্রাণ,

বাংলার রূপে মুগ্ধ হয়ে

মন করে আনচান।

শোকগাথা কষ্ট ব্যথা

হয়ে যায় দূর,

বেজে উঠে নতুন দিনের

মিষ্টি মাখা সুর।

এমন দিনে সবাই ভুলে

দুঃখ ও অবসাদ,

মনের কোণে দোল খায়

স্বপ্নের যত স্বাদ।

আছে যত ঝঞ্ঝাট আর

অতীতের পুরাতন,

সবকিছুতেই ছেঁায়া লাগে

নতুন রূপের বরণ।

প্রাণের বৈশাখ ভরে দেয়

সকলের অন্তর,

হাসিখুশিতে ভরপুর হয়ে

কাটুক সারা বছর।

কা ব্য

পুনর্জাগরণের প্রহর

নিশীথ-নিভৃত অঁাধার-আচ্ছন্ন ধরায়,

নিভে আসে দীপ্ত শিখা, ক্লান্ত মানবতার হায়!

কোথা সেই জাগ্রত প্রাণ, কোথা সেই দীপ্তি,

যাহার আলোয় উদ্ভাসিত হইত সত্যের প্রতীতি?

হে মুমিন, হে মানব, শুন সেই প্রাচীন ডাকÑ

অবহেলায় হারাইও না তোমার মহিমার হাক।

অবক্ষয়ের অন্ধকারে নিমজ্জিত প্রাণ,

উত্থানের সুরে আজ কর নব আহ্বান।

বদরের প্রভাতে উঠিয়াছিল যে তেজ,

সংখ্যা নহেÑঈমানেই লভিয়াছিল সে বিজয়ের খেজ।

অল্প বাহু, তবু দৃঢ় ছিল অন্তর,

বিশ্বাসের বলেই জাগে ইতিহাসের অমর স্বর।

মক্কার প্রান্তরে, ক্ষমার যে মহিমা,

বিজয়েও নত হৃদয়Ñকরুণার সীমা।

প্রতিশোধ নহে, বরং দয়ারই জয়,

এ শিক্ষা লইয়া গড়ো হৃদয়ের পরিচয়।

হে যুবক, ত্যজো না আশা, করো না ভ্রষ্ট পথ,

তলোয়ারের ঝঙ্কার নহেÑজ্ঞানেরই হোক রথ।

কলমের কালিতে অঁাকো নূতন ভোরের রূপ,

অজ্ঞতার প্রাচীর ভাঙো, জ্বালাও আলোর দীপ।

নিজেকে শোধরাও আগে, কর আত্মার জিহাদ,

অহংকার ভাঙিয়া গড়ো নম্রতারই সাধ।

যে জিতে নিজের নফস, সে-ই তো মহীয়ান,

তারি পদচিহ্নে জাগে সত্যের সম্মান।

হে উম্মাহ, ভাঙ্গিয়া ফেল বিভেদের প্রাচীর,

ঐক্যের বন্ধনে গড়ো শক্তিরই নীড়।

জাতি-ভাষা ভেদে কেন বিভক্ত প্রাণ?

একই রবের দাস তুমিÑএই হোক পরিচয় জ্ঞান।

যেথায় ন্যায়ের কণ্ঠ রুদ্ধ, করো তাহা মুক্ত,

অত্যাচারের বিপক্ষে হও অবিচল যুক্ত।

কিন্তু ক্রোধ নহে পথ, নহে বিদ্বেষের জয়,

শান্তির দীপ জ্বালাইলে অন্ধকারই ক্ষয়।

ইতিহাস সাক্ষীÑজাগে যেথা ন্যায়,

সেথা বিজয়ের ফুল ফোটে নিশ্চয়।

অন্যায় যতই হোক প্রবল প্রলয়,

সত্যের সূর্য উঠিবেইÑএই অটল পরিচয়।

অতএব জাগো হে প্রাণ, ভাঙো নিদ্রার ঘোর,

অবক্ষয়ের শৃঙ্খল ছিঁড়ে আনো নূতন ভোর।

তোমার হাতেই রচিত হউক আগামীর গান,

মানবতার পথে হও তুমি দিশারী মহান।

মোহাম্মদ শামীম মিয়া

প্রাণের বৈশাখ

বৈশাখে ভরে উঠে

সব বাঙালির প্রাণ,

বাংলার রূপে মুগ্ধ হয়ে

মন করে আনচান।

শোকগাথা কষ্ট ব্যথা

হয়ে যায় দূর,

বেজে উঠে নতুন দিনের

মিষ্টি মাখা সুর।

এমন দিনে সবাই ভুলে

দুঃখ ও অবসাদ,

মনের কোণে দোল খায়

স্বপ্নের যত স্বাদ।

আছে যত ঝঞ্ঝাট আর

অতীতের পুরাতন,

সবকিছুতেই ছেঁায়া লাগে

নতুন রূপের বরণ।

প্রাণের বৈশাখ ভরে দেয়

সকলের অন্তর,

হাসিখুশিতে ভরপুর হয়ে

কাটুক সারা বছর।

তানজিদ কোতয়াল

বোনের হাসি

হঁাস কিনতে গেছি হাটে,

পকেট ফঁাকা, মুখে নাটে।

হঁাস বলছেÑকুয়াক কুয়াক,

দাম শুনে আমার মাথা পাক!

এক হঁাস মোটা, এক হঁাস চিকন,

দেখে হাসি যায় যে টিকন।

দোকানি কইÑভাই, এইটা সেরা,

হঁাসটা তখন দেয় এক পা নেড়া!

হঁাস পালায়, আমি দৌড়াই,

হাটের লোক সব তাকায়।

শেষে হঁাস না, হাসি কিনি,

পকেট খালিÑমুখে খুশি!

মনির হোসেন খান

অর্জন

হ্যা খুবই নগন্য আমার সকল অর্জন,

তাইতো আমার ঢাকও নেই ঢোলও নেই, নেই কোন গর্জন।

তোমরা হয়তো এগিয়ে বয়সে নয়

শ্রমে কিংবা ঘামে,

আমরা গঁাধা চেষ্টাই করে গেলাম হলাম কষ্টের চকিদার,

তোমরা এখন কি জানি বাপু কেমন করে হলে স্বীকৃতির ঠিকাদার।

তোমরা এগিয়ে বয়সে নয়, হয়তো শ্রমেও ঘামে

নয়তো নিদারুন হঠকারি বা চাটুকারিতায়।

হঁ্যা খুবই নগন্য আমার সকল অর্জন,

তাইতো আমার ঢাকও নেই ঢোলও নেই, নেই কোন গর্জন।

প্রভাতেও তোমরা মধ্যাহ্নেও তোমরা বেলা শেষেও তোমরা,

তোমাদেরই এখন জয় জয়কার,

বেলা শেষে হিসেব মিলাবে কেমন করে ক্ষতি হলো কার কার।

হঁ্যা খুবই নগন্য আমার সকল অর্জন,

তাইতো আমার ঢাকও নেই ঢোলও নেই, নেই কোন গর্জন।

কাজী আজিজুল হাকিম (নাহিন)

অনুভূতি

বাস্তব ও অবাস্তব মিলে জীবন,

সময়ের তালে হারিয়ে যায় অনেক ভুবন।

ফিরে আসে না সময়ের সোনালী সুখ,

তবুও লেখা হয়ে যায় নির্দিষ্ট দুঃখ।

এই তো জীবন...

জীবনের পাতায় ভরে ওঠে অনেক স্মৃতি

ভুলে যাওয়া যায় না কিছু অনুভূতি

না বুঝতে পারলে হয়ে যায় বিষাদময় কাল।

তবুও ভালো থাকুক সবাই,

এক খেলাঘরে জীবন নিয়ে বেঁচে আছে সবাই।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়