প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৯
জবা কুসুম তেল

শাহ্ সাবরিনা মোয়াজ্জেম জবা কুসুম তেল
দক্ষিণের খিড়কির কাঁচ ভেঙে
উত্তরীয় বা’য়ের বাও দেয়া।
পূর্বাপর শালীনতায় নিজেকে
নিয়ে কতোটা রাখ ডাক!
আধেক জীবন বোধগম্যতায় রঁসুইঘরের
পাটাতনে কেটে গেলো।
গহীনে আঁধার কেটে
চার চোখের মিলন আদৌ কি হয়েছে!
আর হলেইবা কি
তা নিঃশব্দ নিরবতা!
ধ-রায় বার বার ভালোবাসা জন্মেনা
শুধু আলো-আঁধারির খেলা চলে হাতড়িয়ে
কখনো বা হাটুর কাঁপুনি তোলে।
রাতে রাতে রাতকাহনে কাঁধচর্চায়
পরম্পরায় বন্ধু হয় সহোদর হয় কিন্তু লেবাসে প্রেমিক হয়না।
বড়জোর লাগামহীন যোদ্ধার আমন্ত্রণে
ত্যাতানো বাসর হয়।
অগ্নি উত্থিত চুলোয় কাহাতক জিইয়ে মরা।
টিকের আগুন জ্বালানোর জন্যেও
পোক্ত নারিকেলের মালা লাগে
অতঃপর হুকোটায় বোল ফোটে।
যেহেতু কিংবা বাদ
দুর থেকে একটু আড়চোখে মদিরায় তাকিয়ে
সংঘবদ্ধ ভাবে বিদায়।
বিদায় বেলায় হাত নাড়া বিনিময়ে শুদ্ধস্বর সালাম।
আহ্নিক গতির আকর্ষণে মনোজগতে
প্রবেশাধিকার তৎক্ষণাৎ!
কালে কালে বিনিদ্র রজনী যাপন।
পাঁপড় পোড়া আর রশদ জোগানো।
আরোপিত বিভেদই থাকুক
জীবনের জল রঙে
জলপাই রঙের জবাকুসুম তেল আর জলে!








