প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:২০
কুমিল্লায় ৪৩ বছর যাবত ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস শোনাচ্ছেন তিননদী পরিষদ

কুমিল্লার মেঘনা, গোমতী ও তিতাস এই তিন নদী নিয়ে নামকরণকৃত সাংস্কৃতিক সংগঠন 'তিননদী পরিষদ' ৪৩ বছর যাবত একুশের চেতনা ছড়িয়ে দিচ্ছে। কুমিল্লা নগর উদ্যানের জামতলায় প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমদিন থেকে ২১ দিনব্যাপী আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সংগঠনটি। তারই ধরাবাহিকতায় ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে বিশ্বের সকল ভাষাভাষি মানুষসহ বাংলা ভাষার মানুষের মাঝে এর ইতিহাস ঐতিহ্য রক্ষায় এই প্রজন্মকে অবহিত করার লক্ষ্যে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ) বিকেলে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২১ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানসূচির ৮ম দিনে অধ্যাপক রাহুল তারণ পিন্টুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা কোর্টবাড়িস্থিত গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের অধ্যক্ষ রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার এবং বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা সেলিনা পারভীন। এছাড়াও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা আদালত অঙ্গনের পরিচিত মুখ অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার ও সাংবাদিক শ্যামল বড়ুয়া ববি।
এতে সভাপতিত্ব করেন তিন নদী পরিষদের কর্ণধার, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও অভিবাদন সম্পাদক আবুল হাসনাত বাবুল।
অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য ও সংগীত পরিবেশন করেন কুমিল্লা গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের শিক্ষার্থীরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন তিন নদী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সাপ্তাহিক অভিবাদনের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক পারভিন হাসানাত, সাংবাদিক সুমাইয়া হাসানাত সময়, রুনা আক্তার ও নাহিদা আক্তারসহ
কুমিল্লা গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ১৯৮৪ সাল থেকে ভাষা আন্দোলনের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্যে সংগঠনটির ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমার মনে হয় না দেশের আর কোথাও এ ধরনের অনুষ্ঠান হয়ে থাকে।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আবুল হাসানাত বাবুল বলেন, “মাতৃভাষার প্রতি গভীর অনুরাগ থেকেই আমরা ‘তিননদী পরিষদ’ গঠন করেছি। আমাদের উদ্দেশ্য একটাই, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের কাছে মা, মাটি, দেশ, বাংলা ভাষা এবং একুশের চেতনা পৌঁছে দেওয়া।”








