প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২৬, ১৬:২৭
ফলোআপ
সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবাদে বাস চলাচল বন্ধ

মতলব-বাবুরহাট-গৌরীপুর-পেন্নাই সড়কে বারবার সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবাদে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে 'নিরাপদ সড়ক চাই' আন্দোলন ও স্থানীয় বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা।
|আরো খবর
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১১টা থেকে এই রুটে (মতলব-ঢাকা-মুন্সিরহাট-বাবুরহাট) চলাচলকারী মতলব এক্সপ্রেস, জৈনপুরী পরিবহন ও জৈনপুরী এক্সপ্রেস নামের তিনটি সার্ভিসের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বুধবার বিকেলে সড়কের রালদিয়া এলাকায় জৈনপুরী পরিবহন নামের একটি বাস সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে মুখোমুখি ধাক্কা দিলে সিএনজির এক যাত্রী মারা যান এবং চালকসহ অপর তিনজন গুরুতর আহত হন।
এ দুর্ঘটনার প্রতিবাদে সকাল থেকেই শহরের পানির ট্যাংকি এলাকায় বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও উত্তেজিত ছাত্র-জনতা জড়ো হতে থাকে। এ সময় বাসগুলো এই পথ অতিক্রম করার চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীরা তা আটকে দেয়।
'নিরাপদ সড়ক চাই' আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক বদিউল আলম বাবু ও সাংগঠনিক সম্পাদক নাছির হোসেন বলেন, “লাইসেন্স ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি এবং লাইসেন্সহীন চালক মতলববাসীর জন্যে মৃত্যুর ফাঁদ। এসব বাস চরম ঝুঁকি নিয়ে বেপরোয়া গতিতে চালানো হয়। তিন মাস আগে প্রশাসন ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। আমরা এসব বাস চলাচল বন্ধের দাবি জানাচ্ছি।”
স্থানীয় বিক্ষুব্ধ লোকজনের দাবি—মতলবের জৈনপুরী পরিবহন, জৈনপুরী এক্সপ্রেস ও মতলব এক্সপ্রেসের বাসগুলোর বৈধ ফিটনেস ও লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই; তাই এগুলো এই সড়কে চলতে পারবে না। তারা বলেন, “আমরা সড়কে আর কোনো তাজা প্রাণ হারাতে দেখতে চাই না। গাড়িগুলোর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রশাসনিকভাবে তদারকির দাবি জানাচ্ছি।”
মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাফিজুর রহমান মানিক বলেন, “ছাত্র-জনতার প্রতিনিধি, 'নিরাপদ সড়ক চাই' আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ এবং গাড়ির মালিক ও চালকদের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।”








