প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২৬, ২২:০৯
সবুজের স্বপ্নে ফরিদগঞ্জের প্রাথমিক বিদ্যালয়
প্রাথমিক শিক্ষাপদক ২০২৬ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন

একটি চারা শুধু একটি গাছের জন্ম দেয় না, জন্ম দেয় আগামীদিনের ছায়া, শুদ্ধ বাতাস আর একটি সবুজ ভবিষ্যতের। সেই ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রত্যয় নিয়েই ফরিদগঞ্জে শুরু হলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ভিত্তিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।
|আরো খবর
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ যেনো পরিণত হয় সবুজের এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষা কর্মকর্তা ও স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা হাতে তুলে নেন গাছের চারা। একের পর এক ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ মাটিতে রোপণের মধ্য দিয়ে উচ্চারিত হয় একটি নীরব অঙ্গীকার- 'আগামী প্রজন্মের জন্যে রেখে যেতে হবে একটি বাসযোগ্য পৃথিবী'।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শিরিন সুলতানা এবং সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন।
আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি গিয়াস কবির, ফরিদগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি বিল্লাল হোসেন পাটওয়ারী, মহিলা সভানেত্রী হাসিনা আক্তার, ফরিদগঞ্জ বালিকা দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানসহ উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির এই সময়ে পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। শিশুদের হাতে একটি গাছের চারা তুলে দেয়া মানে তাদের হাতে ভবিষ্যতের দায়িত্ব তুলে দেয়া। বিদ্যালয় শুধু পাঠদানের স্থান নয়, বরং পরিবেশবান্ধব ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তোলারও অন্যতম ক্ষেত্র। তাই প্রতিটি বিদ্যালয়কে সবুজে ঘেরা শিক্ষাঙ্গনে পরিণত করার এই উদ্যোগ সময়ের দাবি।অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের অনেকেই নিজের হাতে রোপণ করা চারার পরিচর্যার দায়িত্ব নেয়ার অঙ্গীকার করে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে আরও সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই দেশব্যাপী এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শিক্ষা ও পরিবেশ, দুটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রকে এক সুতোয় গেঁথে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যে একটি টেকসই বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এ উদ্যোগ চলমান থাকবে।








