মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ
  •   ১৬-২৫ মার্চ নদীতে বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ থাকবে : নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়

প্রকাশ : ০৩ মার্চ ২০২৬, ০০:২৩

বালুবাহী ট্রাকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়ক

বালুবাহী ট্রাকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়ক
অনলাইন ডেস্ক

চাঁদপুর জেলা সদর থেকে লক্ষ্মীপুর অভিমুখী সড়ক ও চাঁদপুর সদরের নানুপুর থেকে হরিণা ফেরিঘাট পর্যন্ত সড়কে সাতটি বালু ও পাথর বিক্রির প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের ছয় ও দশ চাকার ট্রাকগুলো মাল বহন করে চলাচল করায় দুটি সড়ক ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠান মালিকদের সড়ক বিভাগ থেকে নোটিস দেওয়া হলেও এখনও আগের অবস্থায় রয়েছে এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

সরেজমিন দেখা গেছে, সদরের ইসলামপুর গাছতলা থেকে শুরু করে বাগড়া বাজার পর্যন্ত রয়েছে বেশ ক'টি বালু ও পাথর বিক্রির ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। একই ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ডাকাতিয়া নদী সংলগ্ন পানি উন্নয়ন বোর্ডের সম্পত্তিতে নির্মিত সড়কের দু পাশে। বিশেষ করে ঢালিরঘাট, ওয়াপদা ও তার আশপাশে বেশ ক'টি বালুর ব্যবসা রয়েছে।

বাগড়া বাজার এলাকার বাসিন্দা আব্দুল্লাহ শেখ ও অটোরিকশা চালক ফারুক মজুমদার বলেন, বালু বহনকারী ট্রাকে শুধুমাত্র সড়ক নষ্ট হয় না, পাশাপাশি যানবাহনের যাত্রী, চালক এবং পথচারীদের চোখে মুখে বালু ঢোকায় প্রতিনিয়ত বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।

সড়ক বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, চাঁদপুর সদরের মেসার্স সাইফুল এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স মো. আব্দুল হান্নান, আফিজ উদ্দিন মুন কনস্ট্রাকশন, মেসার্স মায়ের দোয়া এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স আবুল কালাম পাঠান, গাজী নির্মাণ সামগ্রী ও মেসার্স ফাতেমা ট্রেডার্সকে গেল বছরের ১৯ নভেম্বর নোটিস দেওয়া হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে নোটিসে উল্লেখ করা হয়, অতিরিক্ত বালি ও পাথর ভর্তি ১০ চাকার ট্রাক চলাচলের কারণে রাস্তার পেভমেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পেভমেন্ট অংশ মেরামত করা হলেও অতিরিক্ত অর্থাৎ অধিক লোডের কারণে রাস্তার পেভমেন্ট পুনরায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং ক্ষতি হওয়ার পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা এই ধরনের পরিবহন বন্ধ না করলে তাদের বিরুদ্ধে সড়ক আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই বিষয়ে সাইফুল এন্টারপ্রাইজের মালিক জাহাঙ্গীর খান বলেন, আমার বালু ব্যবসা আছে। তবে অধিক লোডের গাড়ি নেই। পাশের মেসার্স মো. আব্দুল হান্নানসহ নদীর দক্ষিণ পাশে যাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে তাদের গাড়ি আছে।

এ সড়কের দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. জসিম উদ্দিন বলেন, এই দু সড়কে থাকা বালু ও পাথর ব্যবসায়ীদের প্রতিষ্ঠানে গিয়ে অধিক লোডের গাড়ি বন্ধ করার জন্যে মৌখিক বলা হয়েছে এবং তাদেরকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত এসব অধিক লোডের গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়নি।

চাঁদপুর সড়ক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শাহিনুর রহমান বলেন, সড়কে এ ধরনের অধিক লোডের গাড়ি বন্ধে ব্যবস্থাগ্রহণের জন্যে গত ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে জেলা প্রশাসক বরাবর নির্বাহী প্রকৌশলী চিঠি দিয়েছেন। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সমন্বিত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।

সূত্র : ঢাকা মেইল।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়