প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৮:৫৪
চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ৪৩ জন সদস্য একসঙ্গে পল হ্যারিস ফেলো হয়েছেন

বিশ্বের সর্ববৃহৎ সমাজসেবামূলক সংগঠন রোটারী ইন্টারন্যাশনালের আওতাভুক্ত চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের ৪৩ জন সদস্য একসঙ্গে পল হ্যারিস ফেলো হয়েছেন। বাংলাদেশের সপ্তম রোটারী ক্লাব হিসেবে চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের জন্যে এটি একটি ঐতিহাসিক অর্জন। ২০২৫-২০২৬ রোটারী বর্ষে এ ক্লাবের প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা) ও সেক্রেটারী রোটারিয়ান নাজিমুল ইসলাম এমিলের নেতৃত্বাধীন কমিটির উদ্যোগে গৃহীত একটি বিশেষ সুযোগের আলোকে এমন বিরল অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে।
|আরো খবর
রোটারী ইন্টারন্যাশনালের দাতব্য প্রতিষ্ঠান 'দি রোটারী ফাউন্ডেশন', যেটি জাতিসংঘের পরে সর্বাধিক তহবিলধারী অন্যতম বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠষ্ঠান বলে বিবেচিত। এ ফাউন্ডেশনে এক হাজার ডলার প্রদান করলে সাধারণত পল হ্যারিস ফেলো বলে স্বীকৃতি দেয়া হয়। ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠার পর চাঁদপুর রোটারী ক্লাবে ইতঃপূর্বে ৫৫ বছরে ২৪ জন বিভিন্ন সময়ে পিএইচএফ হয়েছেন। এ দীর্ঘ সময়ের পর একসঙ্গে ৪৩জন পিএইচএফ হওয়াটা শুধু চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের জন্যে নয়, বাংলাদেশের অন্যান্য রোটারী ক্লাবের জন্যে একেবারে বিরল ও সাড়া জাগানো ঘটনা।
২০২৫-২০২৬ রোটারী বর্ষে চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের যে ৪৩জন সদস্য একসঙ্গে পিএইচএফ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন, তাঁরা হচ্ছেন : ১. সঞ্জয় কুমার অধিকারী, ২. শাহিন আক্তার, ৩. আল আমিন, ৪. ইবনে আজম সাব্বির, ৫. আমেনা বেগম, ৬. মো. মহসিন ভূঁইয়া, ৭. অ্যাডভোকেট ভাস্কর দাস, ৮. অ্যাড. মানিক লাল দেবনাথ, ৯. মো. ফয়সাল আহমেদ ফরাজি, ১০. ডা. এম. জি. ফারুক ভূঁইয়া,
১১. তমাল কুমার ঘোষ,
১২. মো. জুয়েল হাসান,
১৩. অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, ১৪. উজ্জ্বল হোসাইন, ১৫. মো. আবু সাঈদ হোসেন কাউসার, ১৬. মো. রফিকুল ইসলাম, ১৭. মো. সাইফুল ইসলাম রনি, ১৮. মো. নাজিমুল ইসলাম এমিল, ১৯. গাজী মো. মহসিন কাদের মিশু, ২০. মোহাম্মদ কবির হোসেন খান, ২১. নাসির উদ্দিন খান, ২২. অ্যাডভোকেট আলেয়া বেগম লাকী, ২৩. অ্যাডভোকেট পলাশ মজুমদার, ২৪. মো. আলমগীর মিয়াজি, ২৫. শাহেদুল হক মোর্শেদ, ২৬. মো. মাইনুদ্দিন, ২৭. নাজমুর নাহার, ২৮. বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মহসিন পাঠান, ২৯. মোহাম্মদ খোরশেদ আলম পাটোয়ারী কাঞ্চন, ৩০. আলহাজ্ব রফিকুর রহমান, ৩১. আতিকুর রহমান, ৩২. কাজী মিজানুর রহমান, ৩৩. মুহাম্মদ জিয়াউর রহমান প্রিন্স, ৩৪. মুহাম্মদ রেজাউল ইসলাম রকি, ৩৫. অ্যাড. মো. মাসুদ রানা, ৩৬. মো. সাদেক হোসেন হৃদয়, ৩৭. প্রণব সাহা, ৩৮. মুহাম্মদ রাসেল সালাউদ্দিন, ৩৯. মো. রুবেল মিয়াজি শোভন, ৪০. মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন সুমন, ৪১. মো. রেদওয়ান রহমত উল্লাহ সম্রাট, ৪২. কাজী মাইনুল হক জীবন ও ৪৩. ডা. মাহমুদুন নবী মাসুম।এ ৪৩ জন সদস্যের আগে চাঁদপুর রোটারী ক্লাব প্রতিষ্ঠার পর ৫৫ বছরে যারা পিএইচ হয়েছেন, তাঁরা হচ্ছেন : চার্টার প্রেসিডেন্ট (প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি) ডা. নুরুর রহমান, চার্টার ভাইস প্রেসিডন্ট ডা. এমএ গফুর, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এমএ মাসুদ ভূঁইয়া, প্রবীণ সদস্য সুভাষ চন্দ্র রায়, সুবীর পোদ্দার, হাফিজ আহমেদ, ডা. এসএম সহিদ উল্যা, ডা. এস কে মজুমদার, ড. অরুন চন্দ্র পাল, নজরুল আমিন সাজু চৌধুরী, অ্যাড. ইকবাল-বিন-বাশার, আবুল কাশেম গাজী, কাজী শাহাদাত, তোফায়েল আহম্মদ শেখ, অ্যাড. সাইয়েদুল ইসলাম বাবু, নাসিরউদ্দিন খান, শেখ মো. মঞ্জুরুল কাদের সোহেল, অ্যাড. শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন, মাহবুবুর রহমান সুমন, মো. আলী জিন্নাহ, অ্যাড. মো. নজরুল ইসলাম, মো. মোস্তফা (ফুল মিঞা), হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী ও গোপাল সাহা।
ডিসিকে/ এমজেডএইচ








