শনিবার, ০৪ এপ্রিল, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ
  •   চাঁদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. সলিম উল্লা সেলিম!

প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৯:৪৪

তিন গ্রামের দু শতাধিক শিশু প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত

বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন

মো. মঈনুল ইসলাম কাজল।।
তিন গ্রামের দু শতাধিক শিশু প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত

শাহরাস্তি উপজেলার রায়শ্রী দক্ষিণ ইউনিয়নের বেরকি, নোয়াপাড়া ও পরানপুর গ্রামে কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় দু শতাধিক কোমলমতি শিশু শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়ছে। বিদ্যালয়ের অভাবে অনেক শিক্ষার্থী প্রাথমিক স্তর থেকেই ঝরে পড়ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল ২০২৬) নোয়াপাড়া, বেরকী ও পরানপুর গ্রামের কোমলমতি শিশুদের অংশগ্রহণে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে অংশ নেয়া শিশু ও অভিভাবকরা দ্রুত একটি বিদ্যালয় স্থাপনের জন্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। একই সঙ্গে তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মো. মাহবুবুল আলম পরান। বক্তব্য রাখেন সমাজসেবক মো. কামাল হোসেন মজুমদার এবং খেড়িহর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইমাম হোসেন মজুমদার জুয়েলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় আবুল খায়ের, খোরশেদ আলম, বদিউল আলম মজুমদার, আবুল হায়াত মিঠু, নূরে আলম মজুমদার, হারুনুর রশিদ, জহিরুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, রুস্তম আলী, কাউসার আলম, জামাল হোসেন, আরিফুল ইসলাম, আবু ইউসুফ সোহাগ, শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

স্থানীয়রা জানান, শিশুদের প্রাক-প্রাথমিক স্তরে ভর্তি করতে হলে ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার দূরের বিদ্যালয়ে যেতে হয়। কিন্তু চার থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের জন্যে এতো দীর্ঘ পথ অতিক্রম করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। এছাড়া সড়কে যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণে অভিভাবকরাও সন্তানদের দূরে পাঠাতে অনীহা প্রকাশ করছেন।

এমতাবস্থায় বেরকি, নোয়াপাড়া ও পরানপুর গ্রামের যে কোনো একটি এলাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের দাবি জানান তারা। তাদের মতে, বিদ্যালয় স্থাপন করা হলে এ অঞ্চলের শিশুদের শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং ঝরে পড়ার হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে তিন গ্রামের শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী মহল। স্থানীয়রা জানান, উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট স্কুল প্রতিষ্ঠার দাবিতে লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জহিরুল ইসলামের মুঠোফোনে বেশ ক'বার ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়