প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ২২:৪৬
বৈষম্যহীন ও অপরাধমুক্ত নিরাপদ চাঁদপুর গড়তে চাই
----পূজামণ্ডপে বিএনপি নেতা আলহাজ্ব মোশারফ হোসাইন

সাম্য, সৌহার্দ্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে চাঁদপুর শহরের বিভিন্ন দুর্গোৎসবের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মো. মোশারফ হোসাইন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত তিনি চাঁদপুর পৌর এলাকার বাবুরহাট, দাসাদী, মঠখোলা, পালপাড়া, মিশন রোড, কালীবাড়ি এবং পুরানবাজারসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি পূজারী ও দর্শনার্থীদের সাথে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং মণ্ডপ পরিচালনা কমিটির হাতে ব্যক্তিগত উপহার ও অনুদান তুলে দেন।
মণ্ডপ পরিদর্শনকালে আলহাজ্ব মো. মোশারফ হোসাইন বলেন, “বাংলাদেশ আবহমান কাল ধরেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এখানে হাজার বছর ধরে সব ধর্মের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বসবাস করে আসছে। আমাদের নেতা, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সুস্পষ্টভাবে বলেছেন—‘বাংলাদেশে কোনো সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু বলে কিছু নেই, আমাদের সবার একমাত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশি। ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। এই এক আকাশের নিচে ও একই মাটিতে প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করবে।’”
তিনি আরও বলেন, “দুর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবই নয়, এটি আমাদের বাঙালি সংস্কৃতিরও অবিচ্ছেদ্য অংশ। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে সম্পূর্ণ নিরাপদে ও আনন্দঘন পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সেজন্য চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিকের নেতৃত্বে বিএনপির নেতা-কর্মীরা সবসময় আপনাদের পাশে রয়েছে এবং থাকবে।”
চাঁদপুর সরকারি কলেজের সাবেক নির্বাচিত জিএস মোশারফ হোসাইন একটি অসাম্প্রদায়িক ও মাদকমুক্ত সমাজের রূপরেখা তুলে ধরে বলেন, “একটি সভ্য ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনে আমাদের সন্তানদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে অভিভাবকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি এমন এক চাঁদপুরের স্বপ্ন দেখি—যেখানে প্রতিটি নাগরিক পারিবারিক বন্ধনের মতো সম্প্রীতি নিয়ে বসবাস করবে। থাকবে না কোনো বৈষম্য, মাদক বা কিশোর গ্যাংয়ের মতো সামাজিক অপরাধ। মহান আল্লাহ যদি আমাকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দেন, তবে সকলকে সাথে নিয়ে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও সুন্দর চাঁদপুর পৌরসভা উপহার দেব, ইনশাআল্লাহ।”
পরিদর্শনকালে স্থানীয় বিভিন্ন পূজামণ্ডপের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা, সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ ও পূজারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।








