প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৬, ২১:০৮
হাজীগঞ্জের মাতৃমায়া আবাসিক হোটেল সিলগালা

হাজীগঞ্জ বাজারের হলুদ পট্টির মাতৃমায়া আবাসিক হোটেলে বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যকলাপের দায়ে মঙ্গলবার (১৬ জুন ২০২৬) দুপুরের পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইবনে আল জায়েদ হোসেন উপস্থিত থেকে সিলগালা করেন। জানা যায়, হাজীগঞ্জের একাধিক আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ চলে আসছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সরগরম থাকে। সর্বশেষ গত সপ্তাহে হোটেলটিতে একজন বয়স্ক লোকের লাশ পাওয়া যায়। এ বৃদ্ধকে রুম ভাড়া দেয়ার সময় রেজিস্টার মানা হয়নি। এর আগে আরও একটি নারীঘটিত কাণ্ড ঘটে। সরকারি আদেশ অমান্য করায় এদিন হোটেলটি সিলগালা করে দেয়া হয়। তাছাড়া হোটেলটির অনৈতিক কার্যকলাপ নিয়ে হলুদ পট্টির বেশিরভাগ ব্যবসায়ী ক্ষুব্ধ।
|আরো খবর
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যবসায়ী জানান, হাজী আনোয়ার হোসেন মঞ্জিল ভবনসহ হোটেলটির মালিক ফারুক হোসেন লিটন। লিটন বিগত সরকারের সময় পৌর ছাত্রলীগের শীর্ষ এক নেতার নামে হোটেলটি পরিচালনা করতেন। এখন নিজে বর্তমান সরকার দলীয় লোক পরিচয় দিয়ে অনৈতিক কাজ করে আসছেন। অভিযান পরিচালনার বিষয় টের পেয়ে মূল ভবনে তালা মেরে পালিয়ে যান মালিকসহ কর্মচারীরা। পরে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে তালা ভেঙ্গে ভেতরে কেউ আছে কি না তা দেখার পর হোটেলটি সিলগালা করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুর রশিদ, পৌর বাজার পরিদর্শক খাজা সফিউল বাসার রুজমান প্রমুখ।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইবনে আল জায়েদ হোসেন জানান, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত হোটেলটি বন্ধ থাকবে।








