প্রকাশ : ০২ জুন ২০২৬, ২০:৪২
লাখ টাকায় বাঁচতে পারে তিন শিশু সন্তানের মা ফারজানা

মাত্র লাখ টাকা হলে বাঁচতে পারে ক্যান্সার আক্রান্ত তিন শিশু সন্তানের মা ফারজানা বেগম (৩৮)। ক্যান্সার রোগ নির্ণয়, ইন্ডিয়াতে বায়োপসি পরীক্ষার ফলাফল এবং দেশে কেমোথেরাপি দেওয়ার মতো আর কোনো অর্থ-বিত্তই নেই স্ত্রীর চিকিৎসায় সর্বস্ব হারানো স্বামী বেচারার। ইতোমধ্যে তারিশ থ্রি পিস কোম্পানির মালিক রুবেল হোসেনের সহায়তায় রাজধানীর মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালে ফারজানাকে ভর্তির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফারজানা হাজীগঞ্জের বাকিলা ইউনিয়নের বোরখাল বড়ো বাড়ির ফারুক মুন্সীর স্ত্রী। এ দম্পতির তিনটি শিশু সন্তান এখনো অবুঝ।
জানা যায়, ক্যান্সার আক্রান্ত ফারজানার তিনটি শিশু সন্তানকে এখন দেখভাল করছেন তাদের খালা। গ্রামের বাড়িতে বিছানায় ব্রেস্টের যন্ত্রণায় ছটফট করে দিনক্ষণ পার করছেন ফারজানা। টাকা হলেই এখন থেরাপি চালু করা হবে বলে জানান স্বামী ফারুক মুন্সী।
ফারুক মুন্সী জানান, শুরুর দিকে ফারজানার ব্রেস্টে ব্যথা অনুভব হওয়ার পরে নিজ এলাকা থেকে শুরু করে ঢাকা নিয়ে একাধিক হাসপাতালে ঘুরে ঘুরে ডাক্তার দেখানো ও একের পর এক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো শেষে ক্যান্সার ধরা পড়ে। ক্যান্সারটি প্রাথমিক স্টেজে রয়েছে বলে আরও নিশ্চিত হতে ইন্ডিয়াতে নমুনা পাঠানো হয় বায়োপসি করানোর জন্যে। কিন্তু ততোদিনে আমি অর্থনৈতিকভাবে নিঃস্ব হয়ে পড়ি।
বায়োপসি রিপোর্ট আসার পরে ঢাকার চিকিৎসকরা জানান, মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালে রেখে দুটি থেরাপি দিতে হবে। এর পরে ফের বায়োপসিসহ দামি সব ওষুধ লাগবে। কিন্তু আমি দিনমজুর। ৩টি সন্তানের মুখে যেখানে দু বেলা খাবার দিতে পারি না, সেখানে কী করে লাখ টাকার চিকিৎসা করাই— বলে কেঁদে ফেলেন ফারুক মুন্সী।
তিনি আরও জানান, রুবেল হোসেন নামের ঢাকার এক ব্যবসায়ীর সহায়তায় হাসপাতালে ভর্তি করাতে পারবো, কিন্তু তারপরে কী করবো বুঝতে পারছি না।
যে কেউ ফারুক মুন্সীকে সহযোগিতা করতে চাইলে--বিকাশ (ফারুক) : 01838-156448








