বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০০:৪৯

চাঁদপুর-২ আসনে মাঠে লড়ছেন ৭ জন : ধানের শীষের সম্মুখে লড়াইয়ে নেই কেউ

বিজয়ের পথে বিএনপি প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন

মাহবুব আলম লাভলু
বিজয়ের পথে বিএনপি প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন
ছবি : মো. জালাল উদ্দিন

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-মতলব দক্ষিণ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনী মাঠে লড়ছেন ৭ জন প্রার্থী। এ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীর সম্মুখ লড়াইয়ে (হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে) নেই অন্য কোনো প্রার্থী। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো প্রার্থী না থাকায় বিএনপি প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিনের বিজয় নিশ্চিত বলে জানাচ্ছেন স্থানীয় ভোটাররা।

চাঁদপুর-২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১ হাজার ৬১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫০০ জন, মহিলা ভোটার ২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৫৯ জন এবং হিজড়া ভোটার ২ জন। ১৫৫টি ভোটকেন্দ্রে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

এ আসনে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন : বিএনপির মো. জালাল উদ্দিন, ১১ দলীয় জোট (এলডিপি)-এর মো. বিল্লাল হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মনসুর আহমেদ সাকি, জাতীয় পার্টির মো. এমরান হোসেন মিয়া, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. ফয়জুন্নুর, গণঅধিকার পরিষদের মো. গোলাফ হোসেন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির নাসিমা নাজনিন সরকার এবং নাগরিক ঐক্যের মো. এনামুল হক। এঁদের মধ্যে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. গোলাফ হোসেন বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

এ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছাড়া অন্যান্য প্রার্থীর তেমন কোনো ভোট ব্যাংক নেই। ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেনের দলীয় ভোটও উল্লেখযোগ্য নয়। ভোটারদের মতে, জামায়াতের প্রার্থী থাকলে কিছুটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারতো।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মনসুর আহমেদ সাকির কিছু দলীয় ভোট রয়েছে। তবে তা বিএনপির প্রার্থীর সঙ্গে লড়াই করার মতো নয়।

ভোটাররা মনে করেন, জামায়াত সমর্থিত ভোটাররা যদি ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীকে ভোট না দেন, তাহলে এ আসনে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

এ আসনে বিএনপির বিশাল ভোট ব্যাংক রয়েছে। বিএনপি প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন রয়েছেন ফুরফুরে মেজাজে। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিএনপি প্রার্থীর বিজয় প্রায় নিশ্চিত। এখন শুধু ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়া বাকি।

হানিরপাড় গ্রামের ভোটার শাহাজাহান কবির জানান, যে ক'জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, বিএনপি ছাড়া অন্যদের পাশে দাঁড়ানোর বা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো কোনো ভোট নেই। বিএনপির প্রার্থীই জিতবেন।

জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর সরকার জানান, এ আসনটি বিএনপির ঘাঁটি। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে এখানে বিএনপি প্রার্থীই নির্বাচিত হন। এবার বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিএনপি প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন বিজয়ী হবেন।

বিএনপি প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন জানান, ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এবার তারা ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবে। ভোটাররা ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্যে উদগ্রীব হয়ে আছে। ইনশাআল্লাহ, ভোটাররা আমাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত করবেন।

ডিসিকে/এমজেডএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়