মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৬, ১২:২৫

ওয়াটার বাস এবং হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তিতে নদীকেন্দ্রিক পর্যটন

অনলাইন ডেস্ক
ওয়াটার বাস এবং হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তিতে নদীকেন্দ্রিক পর্যটন

হাজীগঞ্জ পৌরসভার জামায়াত সমর্থিত মেয়র প্রার্থী জাকির মজুমদার শনিবার (১৮ জুলাই ২০২৬) দক্ষিণ বলাখালে (১নং ওয়ার্ডে) পৌরবাসীর সঙ্গে কুশল বিনিময় ও গণসংযোগকালে বলেন, হাজীগঞ্জ পৌরসভায় পূর্ব-পশ্চিমে দীর্ঘ একটি নদীপথ রয়েছে। এটিকে আমরা সহজ যাতায়াতের জন্যে ব্যবহার করতে পারি। নিরাপদ ও দ্রুত যাতায়াতে এই নদীতে ওয়াটার বাস সার্ভিস চালু করা হবে।

আসন্ন হাজীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে জয়ী হলে ডাকাতিয়া নদীর দক্ষিণ বলাখাল বা উটতলী গুদারাঘাট থেকে এনায়েতপুর বা শাহরাস্তি পর্যন্ত ওয়াটারবাস চলাচলের ব্যবস্থা করবো। এতে এ অঞ্চলের সড়কের ওপর চাপ কমবে। সড়কে যানজট হ্রাস পাবে। পৌরবাসীর স্বল্প দূরত্বের যাতায়াতে ডাকাতিয়া নদী বিকল্প পথ হয়ে উঠতে পারে।

সড়কে হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তির যানজট কমাতে ডাকাতিয়ায় ওয়াটার বাস চালু কতোটা সফল হবে এ ব্যাপারে মন্তব্য করার চেয়ে এমন ওয়াটার বাস নদীকেন্দ্রিক পর্যটন সম্ভাবনাকে যে উজ্জ্বল করতে পারে, সেটা হলফ করে বলতে পারি। শাহরাস্তিতে ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে ওয়াক ওয়ে এবং এ নদীর ওপর নির্মিত সেতুকে ঘিরে অভিজাত, দৃষ্টিনন্দন রেস্তোরাঁ ও বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণের হিড়িক দেখে নদীকেন্দ্রিক পর্যটন, সংক্ষেপে বলতে গেলে নৌপর্যটনের দিকটিই আমরা তুলে ধরতে পারি। এজন্যে হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তির বর্তমান এমপি, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হককে বিশেষ দৃষ্ট নিবদ্ধ করার জোর অনুরোধ জানাচ্ছি। আমাদের বিশ্বাস, এতে চাঁদপুর বড় স্টেশনে তিন নদীর মিলনস্থল 'মোলহেড' ও অদূরবর্তী 'মিনি কক্সবাজারে' যারা সময় ও অর্থের অভাবে পর্যটক হিসেবে গিয়ে বিনোদন উপভোগ করতে পারছে না বা পারবে না, তাদের পক্ষে হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তির নৌপর্যটনকেন্দ্রিক সুযোগ-সুবিধায় সেই বিনোদন আহরণ ও উপভোগ সম্ভব হবে। শুধু কি হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি? চাঁদপুর, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী জেলার যেসব উপজেলা হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তির সন্নিহিত, সেসব উপজেলার লক্ষ লক্ষ লোকের বিনোদন-গন্তব্য হবে হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তিতে বিদ্যমান ও ভবিষ্যতে সৃষ্ট নৌপর্যটনের সুবিধা সমূহ। এ পর্যটনের সুবিধা নিয়ে কেবল জনপ্রতিনিধিদের ভাবলে চলবে না, ইউএনওবৃন্দ ও জেলা প্রশাসক মহোদয়ের চিঠি চালাচালির প্রয়োজনীয়তা ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তদবিরের অনিবার্যতা রয়েছে। একই সাথে স্থানীয় সুধীবৃন্দ, রাজনীতিবিদ, পর্যবেক্ষক ও সচেতন মানুষদের লাগাতার ভয়েস রেইজ করার তথা উচ্চকণ্ঠ হবার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়