প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১৩:১০
ব্যতিক্রম শীতবস্ত্র বিতরণ

চাঁদপুরে শীতার্ত যানবাহন চালকদের পাশে দঁাড়িয়েছে চঁাদপুর রোটারী ক্লাব ও বন্ধু ব্যাচ ‘ইলিশের বাড়ি চঁাদপুর (২০০২-০৪)’। শনিবার (২৪ জানুয়ারি ২০২৬) চঁাদপুর শহরের কবি নজরুল সড়কস্থ রোটারী ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দু শতাধিক রিকশা ও অটোরিকশা চালকের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে হুডি জ্যাকেট বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ বলেন, তীব্র শীতের মধ্যে রিকশা ও অটোরিকশা চালকরা জীবিকার তাগিদে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত খোলা আকাশের নিচে কাজ করতে বাধ্য হন। তাদের এই কষ্ট কিছুটা লাঘব করতেই এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। চঁাদপুর রোটারী ক্লাবের নেতৃবৃন্দ জানান, সমাজের অবহেলিত ও শ্রমজীবী মানুষের পাশে দঁাড়ানোই রোটারীর অন্যতম লক্ষ্য। শীত মৌসুমে নিম্ন আয়ের মানুষদের কষ্ট লাঘবে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। বন্ধু ব্যাচ ‘ইলিশের বাড়ি চঁাদপুর’-এর প্রতিনিধিরা বলেন, বন্ধুত্বের বন্ধন থেকেই সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা তৈরি হয়। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই রিকশা ও অটোরিকশা চালকদের জন্যে এই শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সমাজের সামথর্যবানরা এগিয়ে এলে শীতার্ত মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে। শীতবস্ত্র পেয়ে রিকশা ও অটোরিকশা চালকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তাদের ভাষ্য, এই হুডিগুলো শীতের রাতে কাজ করার সময় অনেক উপকারে আসবে। অনুষ্ঠান শেষে আয়োজকরা বলেন, মানবিক বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দঁাড়ানোই পারে প্রকৃত সামাজিক পরিবর্তনের পথ তৈরি করতে।
|আরো খবর
নিঃসন্দেহে দু শতাধিক যানবাহন চালকের মাঝে চঁাদপুর রোটারী ক্লাব ও বন্ধু ব্যাচ ইলিশের বাড়ি চঁাদপুর (২০০২-০৪)-এর উদ্যোগকে ব্যতিক্রম বলতেই হবে। কেননা আমরা এবার শীত মৌসুমে শীতবস্ত্র বিতরণের যতো সংবাদ চঁাদপুর কণ্ঠের প্রিন্টিং ও অনলাইন সংস্করণে প্রকাশ করেছি, তার প্রত্যেকটাই কম্বল বিতরণের। একমাত্র চঁাদপুর রোটারী ক্লাব ও বন্ধু ব্যাচ ইলিশের বাড়ি চঁাদপুর (২০০২-০৪)-এর সংবাদটি হুডি জ্যাকেট বিতরণের। এমনটি ক’বছর আগে করেছে ‘চঁাদমুখ’ নামে চঁাদপুরের একটি সংগঠন। কম্বল বিতরণ করলে মানুষ ঘরের শীত নিবারণ করতে পারে, আর চাদর, সুয়েটার-জাম্পার, হুডি জ্যাকেট বিতরণ করলে কর্মস্থল কিংবা ঘরের বাইরের শীত নিবারণ করতে পারে, যেটা কম্বলের চেয়ে বেশি ব্যবহারযোগ্য। এগুলো যে কম্বলের চেয়ে খুব বেশি দামী সেটা কিন্তু নয়। এ বিষয়টি শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোক্তাদের মাথায় রাখা দরকার। তাই বলে আমরা কারো কম্বল বিতরণের উদ্যোগকে কোনোভাবেই নিরুৎসাহিত করছি না। তবে সঠিক ব্যক্তিকে ও সঠিক স্থানে কম্বল বিতরণের কাজটি কষ্টকর হলেও উদ্যোক্তাদের করা উচিত বলে আমরা মনে করি। সহজে যাতায়াতযোগ্য স্থানে কম্বল বিতরণ করলে একই ব্যক্তি প্রতিবছর ও প্রতি উদ্যোক্তার কাছ থেকে বারবার কম্বল পায়, অথচ প্রান্তিক পর্যায়ে অবস্থানকারী শীতার্তরা কম্বলের দেখা কালেভদ্রে পায়, খুব সহজে প্রতিটি শীত মৌসুমে পায় না।




