প্রকাশ : ২১ জুন ২০২৬, ১০:২১
স্থানীয় গৃহস্থদের কাঁঠালে বাজার ভরপুর, কমেছে দাম

মৌসুমি প্রিয় ফল এবং বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠালে এখন ভরপুর চাঁদপুরের বিভিন্ন বাজার। অন্যান্য বছরের মতো এ বছরও জেলার গ্রামাঞ্চলের গৃহস্থদের উৎপাদিত কাঁঠালে বাজার সরগরম হয়ে উঠেছে। ফলে ক্রেতারা তুলনামূলক কম দামে কাঁঠাল কিনতে পারছেন।
চাঁদপুর শহরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ বছর বাজারে অন্য জেলার কাঁঠালের উপস্থিতি খুবই কম। চাঁদপুরের বিভিন্ন গ্রামের রাস্তার পাশ, বাড়ির আঙ্গিনা ও বাগানের গাছে উৎপাদিত কাঁঠালই বাজারের চাহিদা পূরণ করছে। প্রচুর সরবরাহ থাকায় কাঁঠালের দামও অন্যান্য বছরের তুলনায় কিছুটা কম রয়েছে।
বাবুরহাট বাজারের ব্যবসায়ী আলমগীর খান জানান, বর্তমানে আকার ও মানভেদে প্রতি কাঁঠাল ৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তিন কেজি ওজনের একটি কাঁঠাল ১৫০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। বড়ো আকারের কাঁঠাল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চৌধুরী ঘাটের বিক্রেতা বাবুল বেপারী বলেন, গ্রামের অনেক গৃহস্থ তাদের বাড়ির গাছের কাঁঠাল বাজারে এনে বিক্রি করছেন। এতে একদিকে যেমন অতিরিক্ত আয় হচ্ছে, অন্যদিকে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় ক্রেতারাও সাশ্রয়ী দামে কাঁঠাল কিনতে পারছেন।
ক্রেতা দেলোয়ার ও ফারুক হোসেন জানান, দেশীয় ফলের মধ্যে কাঁঠালের চাহিদা সবসময়ই বেশি। এ বছর দাম সহনীয় থাকায় পরিবারে কাঁঠাল কেনার প্রবণতা বেড়েছে। তার পাশাপাশি গরম বেশি পড়লেও বৃষ্টির কারণে সেটি সহনশীল।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক সহকারী পরিচালক আব্দুল মান্নান বলেন, অতীতের মতো মানুষের এখন ফলের প্রতি আগ্রহ বেড়েছে। প্রত্যেকেই বাড়ির আঙ্গিনায় এবং ছাদে বিভিন্ন ফল বাগান করে থাকেন। এখন গ্রামেগঞ্জে, রাস্তাঘাটে, বাড়ির আঙ্গিনায় কাঁঠালের বাগান দেখা যায়। যার ফলে এ বছর কাঁঠালের ফলন ভালো হয়েছে। জেলার গ্রামাঞ্চলে কাঁঠালের ভালো ফলন হওয়ায় বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে মৌসুমজুড়ে কাঁঠালের বাজার স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।







