প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০২৬, ২২:৪৫
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে চাঁদপুরে শুরু হলো তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা

দ্বীনের দাওয়াত, ঈমানি চেতনার জাগরণ এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মূল লক্ষ্য নিয়ে চাঁদপুরে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর ২০২৬) বাদ ফজর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে চাঁদপুর শহরের পুরানবাজার দোকানঘর এলাকার মেঘনা নদীর তীরে ঐতিহ্যবাহী এ ধর্মীয় সমাবেশের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে।
|আরো খবর
তাবলীগ জামাতের উদ্যোগে আয়োজিত এই ইজতেমা আগামী শনিবার (২৪ অক্টোবর) আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে। উল্লেখ্য, এর আগেও চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে সফলভাবে পাঁচবার জেলা পর্যায়ের ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
ইজতেমার খবর পেয়ে গত বুধবার থেকেই চাঁদপুর জেলা ও এর আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো থেকে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি জিকির-আজকার ও 'আল্লাহু আকবার' ধ্বনিতে ইজতেমা ময়দানে সমবেত হতে শুরু করেন এবং প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে অবস্থান নেন।
মুসল্লিদের অবস্থান ও যাবতীয় ধর্মীয় কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বিশাল প্যান্ডেলসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। ইজতেমা প্রাঙ্গণে আসা মুসল্লিদের সার্বিক সুবিধার্থে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিতে একাধিক 'অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প' স্থাপন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে পুরো এলাকা জুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সার্বক্ষণিক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
আয়োজকরা জানান, তিন দিনের এ ধর্মীয় আয়োজনে কোরআন-হাদিসের আলোকে দিনভর ঈমান, আমল, আখলাক ও দাওয়াতের গুরুত্বের ওপর তাসকিল ও হেদায়েতি বয়ান পেশ করবেন তাবলীগ জামাতের প্রবীণ মুরুব্বি ও দেশবরেণ্য আলেম-ওলামাগণ।
তাবলীগ জামাত চাঁদপুর জেলার জিম্মাদার মো. আরিফ উল্লাহ বলেন, “ধর্মীয় অনুশাসন মেনে জীবন পরিচালনা, আত্মশুদ্ধি অর্জন এবং মানুষকে দীনের সঠিক পথে আহ্বান জানানোর উদ্দেশ্যেই আমাদের এই আয়োজন। বৃহস্পতিবার ফজর থেকে শুরু হওয়া এ জেলা ইজতেমা আগামী শনিবার (২৪ অক্টোবর) শেষ বয়ান ও আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হবে।”
তিনি আরও জানান, আখেরি মোনাজাতে দেশ, জাতি ও সমগ্র বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর হেদায়েত, শান্তি, সম্প্রীতি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হবে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, তিন দিনব্যাপী এই ইজতেমায় জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো ধর্মপ্রাণ মানুষের সমাগম ঘটবে।








