বুধবার, ০৬ মে, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৬, ১৯:৫৬

জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইমাম ও খামারি নির্বাচন সম্পন্ন

সংবাদদাতা।।
জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইমাম ও খামারি নির্বাচন সম্পন্ন
জেলা পর্যায়ে ইফা'র শ্রেষ্ঠ ইমাম ও খামারিদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হচ্ছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) চাঁদপুরের উদ্যোগে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইমাম ও শ্রেষ্ঠ খামারি নির্বাচন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধর্মীয় মূল্যবোধ চর্চা এবং আত্মকর্মসংস্থানের প্রতি উৎসাহ জাগাতে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন চাঁদপুরের উপ-পরিচালক সেলিম সরকার। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জাতীয়তাবাদী ওলামা দল ও জেলা ইমাম মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্ট সমিতির সভাপতি মাওলানা জসিম উদ্দিন পাটওয়ারী। বিচারক মণ্ডলীতে দায়িত্ব পালন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চাঁদপুরের উপ-পরিচালক মো. আবু তাহের, চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুফতি সিরাজুল ইসলাম (সভাপতি, চাঁদপুর জেলা ইমাম সমিতি), অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন (শাহতলী কামিল মাদ্রাসা) এবং ইফা শিক্ষক সমিতির সদস্য সচিব মাওলানা খাজা জুবায়ের।

বাছাই কার্যক্রমে জেলার ৮টি উপজেলা থেকে দু ক্যাটাগরিতে মোট ৮৫ জন ইমাম অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতা শেষে বিচারকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রতিটি ক্যাটাগরি থেকে ৩জন করে মোট ৬জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়।

শ্রেষ্ঠ ইমাম (২০২৬) : ১ম স্থান অর্জন করেন চাঁদপুর শহরের মিশন রোড শাহী জামে মসজিদের খতিব মাও. মো. আব্দুল্লাহ। ২য় স্থান অর্জন করেন শাহরাস্তি উপজেলার কালিয়াপাড়া মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদের খতিব মাও. আবু তাহের মো. বদরুদ্দোজা, ৩য় স্থান অর্জন করেন হাজীগঞ্জ উপজেলার সেন্দ্রা পাটোয়ারী বাড়ি জামে মসজিদের খতিব মাও. ছেফায়েত উল্লাহ।

শ্রেষ্ঠ খামারি (২০২৬) : ১ম স্থান অর্জন করেন হাইমচর উপজেলার কমলাপুর জামে মসজিদের খতিব মাও. আব্দুস সালাম, দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন চাঁদপুর সদর উপজেলার নোয়াগাঁও কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাও. আমিরুল ইসলাম,

তৃতীয় স্থান অর্জন করেন হাইমচর উপজেলার আল মদিনা জামে মসজিদের খতিব মাও. মো. মুখলেছুর রহমান।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন চাঁদপুরের ফিল্ড অফিসার বিল্লাল হোসেন।

সভাপতির বক্তব্যে ডিডি সেলিম সরকার বলেন, ইমামরা সমাজের নৈতিক দিশারী। তাদের জ্ঞান, আদর্শ ও নেতৃত্বের মাধ্যমে একটি সুস্থ ও সুশৃঙ্খল সমাজ গড়ে ওঠে। পাশাপাশি খামারিরা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন সবসময়ই ইমামদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং খামারিদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এ ধরনের প্রতিযোগিতা তাদেরকে আরও উৎসাহিত করবে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, একজন ইমাম শুধু মসজিদের ইমামতিই করেন না, বরং সমাজকে সৎ ও নৈতিক পথে পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। একইভাবে খামারিরা দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার পাশাপাশি আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন।

অনুষ্ঠান শেষে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ ইমাম ও শ্রেষ্ঠ খামারিদের নাম ঘোষণা করা হয় এবং তাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেয়া হয়।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়