বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮:৫৫

বসন্ত বরণ ও পিঠা উৎসবে রঙিন ফরিদগঞ্জ সরকারি কলেজ

প্রবীর চক্রবর্তী ও শামীম হাসান।।
বসন্ত বরণ ও পিঠা উৎসবে রঙিন ফরিদগঞ্জ সরকারি কলেজ
ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজের বসন্ত বরণ ও পিঠা উৎসবে স্টল পরিদর্শন করেন কলেজ অধ্যক্ষসহ শিক্ষকবৃন্দ।

ফরিদগঞ্জ সরকারি কলেজে দিনব্যাপী বসন্ত বরণ ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলেজের মাঠজুড়ে পিঠা উৎসবের বিভিন্ন স্টলে শিক্ষার্থীরা নানা ধরনের পিঠা প্রদর্শন করে। এছাড়া বসন্ত বরণ অনুষ্ঠানে বর্ণিল সাজে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। সকালে উৎসবের উদ্বোধন করেন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর শাহ মো. মাসুম বিল্লাহ্। এ সময় উপাধ্যক্ষ নেপাল চন্দ্র দেবনাথ, প্রভাষক মশিউর রহমান, মোবারক হোসেনসহ শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে পিঠা-পুলি। মিষ্টি স্বাদের নানা পিঠার পাশাপাশি কয়েকটি স্টলে দেখা যায় কেক, চটপটি ও ফুচকার আয়োজনও। দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করতে স্টলগুলোতে ছিলো ব্যতিক্রমী নাম ও বর্ণিল পোস্টার। বাহারি নামের পিঠার স্বাদ নিতে সকাল থেকেই মেলায় ভিড় জমে। পছন্দের পিঠা হাতে পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন ক্রেতারা।

স্টল পরিচালনাকারী শিক্ষার্থীরা জানান, বাড়ি থেকে তৈরি করে আনা পিঠা প্রত্যাশা অনুযায়ী বিক্রি করতে পেরে তারা সন্তুষ্ট। তারা জানান, ঐতিহ্য ধরে রাখতেই এই আয়োজন, সাড়া পেয়ে ভালো লাগছে।

আয়োজকরা বলেন, গ্রামবাংলার বহু ঐতিহ্যবাহী পিঠা আজ বিলুপ্তির পথে। নতুন প্রজন্মকে সেই ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করানোই এ উৎসবের মূল লক্ষ্য। বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়দের সরব উপস্থিতিতে পুরো কলেজ প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে উঠে।

কলেজ অধ্যক্ষ শাহ মো. মাসুম বিল্লাহ্ জানান, শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশ ও আবহমান বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্যে আমাদের বসন্ত বরণ ও পিঠা উৎসবের আয়োজন। শিক্ষার্থীরা নিজেরা নানা ধরনের পিঠা তৈরি করে স্টলে প্রদর্শন করে। তাছাড়া পুরো ক্যাম্পাস বসন্ত উৎসবে মেতে উঠে শিক্ষালয়ে এক চমৎকার পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল উপস্থাপনা আমাকে মুগ্ধ করেছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক চর্চায় উৎসাহ দিতে নিয়মিত এমন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রেখে শিক্ষামুখী ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়