বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩:৫৯

চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে প্রার্থী ৩৬, মোট ভোটার ২২ লাখ ৮৪ হাজার ৭৩৫, ভোটকেন্দ্র ৭০৬

বহুল প্রতীক্ষিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আজ

বহুল প্রতীক্ষিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আজ
মো. মিজানুর রহমান

বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশন আশা করছে, এই ঐতিহাসিক নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর, শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হবে। আজ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চাঁদপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনসহ দেশের ২৯৯ আসনে একটানা ভোটগ্রহণ চলবে। ইতোমধ্যে ভোটের সব প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেই সুবাদে চাঁদপুর জেলাতেও জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও), জেলা নির্বাচন অফিস এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভোটের সব ধরনের আয়োজন ও নিরাপত্তা সম্পন্ন করেছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে উপজেলা পরিষদ থেকে কেন্দ্রওয়ারী ভোটের সরঞ্জাম সংগ্রহ করে কেন্দ্রে কেন্দ্রে নিয়ে গেছেন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে চাঁদপুরের সর্বত্র উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটির সাথে নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি যোগ হওয়ায় ভোটের আগের দিন বুধবার দিনভর ছিলো ঈদের মতোই পরিবেশ। নাড়ির টানে গ্রামের বাড়িতে ভোট দিতে আসতে পেরে অন্যরকম আনন্দ বিরাজ করছে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে।

নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে চাঁদপুর জেলায় কঠোর ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। জেলার মোট ৭০৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নদীর তীরবর্তী ইউনিয়নগুলোর ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তায় কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ নিয়োজিত করা হয়েছে। সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসানো বসিয়েছে সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড, র‌্যাব ও পুলিশ।

চাঁদপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে এবারের নির্বাচনে ৭০৬টি ভোটকেন্দ্র ও ৪ হাজার ২৭৬টি বুথে ভোটগ্রহণ করা হবে। উপজেলাওয়ারী ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা হলো : ফরিদগঞ্জে ১১৮টি, মতলব দক্ষিণে ৫৭টি, মতলব উত্তরে ৯৮টি, কচুয়ায় ১১০টি, চাঁদপুর সদরে ১৩৩টি, হাজীগঞ্জে ৯০টি, হাইমচরে ৩২টি এবং শাহরাস্তিতে ৬৮টি। নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলার আটটি উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২১ বীর ব্যাটালিয়ন ও ১৮ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাটালিয়নের প্রায় ১ হাজার সদস্য মোতায়েন রয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি উপজেলায় দুটি করে বিজিবি প্লাটুন দায়িত্ব পালন করছে, যেখানে প্রতি প্লাটুনে রয়েছে ১৮ থেকে ২০ জন সদস্য। এছাড়া ভোটগ্রহণ কার্যক্রমে ৮ হাজার ৫২০ জন পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সদস্য এবং ১ হাজার ৪১২ জন গ্রাম পুলিশ দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত। এছাড়া র‌্যাব, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা এবং চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকগণ সার্বক্ষণিকভাবে ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় টহলে থাকছেন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও মোবাইল টিমের মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে।

ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালনায় প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, প্রতিটি কক্ষে একজন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও দুজন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন। সে অনুযায়ী জেলায় মোট ৭০৬ জন প্রিজাইডিং অফিসার ও ৪ হাজার ২৬০ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার নিযুক্ত করা হয়েছে।

চাঁদপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসন হচ্ছে : ২৬০ চাঁদপুর-১ (কচুয়া), ২৬১ চাঁদপুর-২ (মতলব দক্ষিণ-উত্তর), ২৬২ চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর-হাইমচর), ২৬৩ চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) এবং ২৬৪ চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি)।

জেলা নির্বাচন অফিসের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, চাঁদপুর জেলার পাঁচটি আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২২ লাখ ৮৪ হাজার ৭৩৫ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১১ লাখ ২৪ হাজার ৩৭৯ জন, পুরুষ ভোটার ১১ লাখ ৬০ হাজার ৩৪৫ জন এবং হিজড়া ভোটার ১১ জন। জেলার ৮ উপজেলার ৫টি আসনের বর্তমান ভোটার সংখ্যাÑচাঁদপুর-১ (কচুয়া) : ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৭শ’ ৪২জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ৭০ হাজার ৮শ’ ৫৯ জন এবং পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮শ’ ৮০ জন। কেন্দ্র ১শ’ ১০টি এবং কক্ষ ৬শ’ ৩৬টি। এ আসনে ৬ জন প্রার্থী।

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-দক্ষিণ) : ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯২ হাজার ৩৭৭ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ৪৩ হাজার ৬শ’ ২ জন এবং পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৪৮ হাজার ৭শ ৭৩ জন। কেন্দ্র ১শ’ ৫৫টি এবং কক্ষ ৯শ’ ১৮টি। এ আসনে প্রার্থী ৮ জন। ১ জন বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ানোয় বাস্তবে ৭জন। চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর-হাইমচর) : ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৪শ’ ৯০ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ৬২ হাজার ৩শ’ ৭০ জন এবং পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৭৫ হাজার ১শ’ ১৮ জন। কেন্দ্র ১শ’ ৬৫টি এবং কক্ষ ৯শ’ ৯৪ টি। এ আসনে প্রার্থী ৭ জন, দুজন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় বাস্তবে ৫ জন। চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) : ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯১ হাজার ২শ’ ৬০ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ৯১ হাজার ৩৭৫ জন এবং পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৯৯ হাজার ৮শ’ ৮৪ জন। কেন্দ্র ১শ’ ১৮টি এবং কক্ষ ৭শ’ ৩৭টি। এ আসনে ৭ জন প্রার্থী। চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) : এ আসনে ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১৪ হাজার ৮শ’ ৬৬ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ৫৬ হাজার ১৭৩ এবং পুুরুষ ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৯০ জন। এ আসনে প্রার্থী সংখ্যা ৭জন।

চাঁদপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে এবারের নির্বাচনে ৭০৬টি ভোটকেন্দ্র ও ৪ হাজার ২৭৬টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। উপজেলা ভিত্তিতে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা হলো ফরিদগঞ্জে ১১৮টি, মতলব দক্ষিণে ৫৭টি, মতলব উত্তরে ৯৮টি, কচুয়ায় ১১০টি, চাঁদপুর সদরে ১৩৩টি, হাজীগঞ্জে ৯০টি, হাইমচরে ৩২টি এবং শাহরাস্তিতে ৬৮টি।

চাঁদপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটের লড়াইয়ের এ প্রার্থীরা হলেন--চাঁদপুর-১ (কচুয়া) : বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমেদ, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী হাবিব খান, গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. এনায়েত হোসেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন ও গণফোরামের উদীয়মান সূর্যের প্রার্থী মোহাম্মদ আজাদ হোসেন। চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-মতলব দক্ষিণ) : বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ড. মো. জালাল উদ্দিন, ১০ দলীয় জোট (এলডিপি)-এর ছাতা প্রতীকের প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর হাতপাখার প্রার্থী মানসুর, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মো. এমরান হোসেন মিয়া, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির হাতী প্রতীকের প্রার্থী মো. ফয়জুন্নুর, গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. গোলাফ হোসেন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির আনারস প্রতীকের প্রার্থী নাসিমা নাজনিন সরকার, নাগরিক ঐক্যের কেটলি প্রতীকের প্রার্থী মো. এনামুল হক। চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর-হাইমচর) : বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রতীকের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাড. মো. শাহজাহান মিয়া, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. জয়নাল আবেদিন শেখ, গণফোরামের উদীয়মান সূর্য প্রতীকের প্রার্থী সেলিম আকবর (ধানের শীষের সমর্থনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন), গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. জাকির হোসেন (ধানের শীষের সমর্থনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী এ. এইচ. এম. আহসান উল্লাহ ও বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতীকের প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) : আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. হারুনুর রশিদ, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদ আলম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মকবুল হোসাইন, স্বতন্ত্র প্রার্থী চিংড়ি প্রতীকের এম এ হান্নান, গণফোরামের উদীয়মান সূর্য প্রতীকের প্রার্থী মো. মুনির চৌধুরী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল মালেক বুলবুল ও স্বতন্ত্র ঘুড়ি প্রতীকের প্রার্থী জাকির হোসেন।চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) : বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. মমিনুল হক, ১০ দলীয় জোট (এলডিপি)-এর ছাতা প্রতীকের প্রার্থী ড. মো. নেয়ামুল বশির, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ আলী পাটোয়ারী, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মির্জা গিয়াস উদ্দিন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ-এর চেয়ার প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ বাহাদুর শাহ্ মুজাদ্দেদী ও ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ-এর আপেল প্রতীকের প্রার্থী মো. মাহমুদ হাসান নয়ন।

উল্লেখ্য, গত ১১ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচন কমিশনে মোট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল আছে ৬০টি। এর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত আছে। নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল। ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ২৯৯ আসনে মোট প্রার্থী আছেন ২ হাজার ২৮ জন। এর মধ্যে ৫০টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৩ জন। মোট নারী প্রার্থী আছেন ৮১ জন। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন, আর হিজড়া পরিচয়ে ভোটার আছেন ১ হাজার ২৩২ জন।

এবার প্রথমবারের মতো নির্বাচনে ড্রোন, বডি ওর্ন ক্যামেরা ও ব্যাপকভাবে সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। ইসি জানিয়েছে, ৯০ শতাংশের বেশি কেন্দ্রে সিসিটিভি নজরদারি নিশ্চিত করা হয়েছে।

ভোট গণনা ও ফলাফল যেভাবে

জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের দুটি ব্যালট একই সঙ্গে গণনা করা হবে। কেন্দ্র পর্যায়ে প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশের পর তা রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হবে। নির্বাচন কমিশন আশা করছে, বেশিরভাগ আসনের ফলাফল মধ্যরাতের মধ্যে পাওয়া যাবে।

ভোট গণনার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল বলেন, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই কেন্দ্রে গণনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রথমে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট আলাদা করা হবে। সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট একই সময়ে গণনা করা হবে। দুটি ভোটের ফলাফলও একসঙ্গে ঘোষণা করা হবে। ভোটকেন্দ্রেই ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। তিনি বলেন, বেশিরভাগ কেন্দ্রের ফলাফল ভোটের দিন মাঝরাতের মধ্যে চলে আসবে বলে তারা আশা করছেন। পরদিন সকালে সব ভোটকেন্দ্রের ফলাফল একীভূত করে ফরম-১৮তে লিপিবদ্ধ করে প্রার্থী বা এজেন্টের উপস্থিতিতে রিটার্নিং কর্মকর্তারা সই করবেন। এটার ভিত্তিতে ফলাফলের গ্যাজেট প্রকাশ করা হবে।

চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এখানকার পাঁচটি সংসদীয় আসনের ফলাফল ঘোষণা করার জন্যে বড়ো পর্দার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ভোটের মাঠে আইনশৃঙ্খলা পরিবেশের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে প্রথমবারের মতো এবার ইউএভি আনম্যানড এরিয়াল ভেহিক্যাল ব্যবহার করা হচ্ছে। ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। পুরো দেশেই এটা বিস্তৃত থাকবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ওভারল্যাপ থাকবে। সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়