প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯:৩৯
শাহরাস্তি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে এসে চোরের খপ্পরে রোগী
১ নারী চোর আটক

শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে এসে প্রতিদিন চোরের খপ্পরে পড়তে হচ্ছে রোগীদের। দীর্ঘদিন যাবৎ এ অবস্থা বিরাজ করলেও যথাযথ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। উপজেলা স্বাস্থ্য কমিটির সভায় এ বিষয়ে কয়েকবার উদ্যোগ নেয়া হলেও কার্যত কোনো সুরাহা হয়নি। এর ফলে প্রতিদিন বাড়ছে ছিনতাই ও চুরির ঘটনা। চলতি সপ্তাহের ২৫ জানুয়ারি রুমা ও কুসুম নামের দুই নারীর গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয় চোর চক্রের সদস্যরা। এ নিয়ে এলাকা জুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। একই কায়দায় মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুরে কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর থেকে ডাক্তার দেখাতে এসে শিরিন আক্তার বহিঃবিভাগের টিকেট সংগ্রহ করতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকাবস্থায় তার গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়ার সময় হাতেনাতে এক নারীকে ধরে ফেলেন। এ সময় উপস্থিত অন্যান্য লোকজন নারী চোরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কক্ষে নিয়ে যায়। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শাহরাস্তি থানা পুলিশের কাছে তাকে সোপর্দ করে।
|আরো খবর
পুলিশ জানায়, আটককৃত নারী সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য, তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলায়। তার নাম কহিনুর বেগম, স্বামী : আব্দুল মালেক, গ্রাম : ধরমন্ডল। তার বিরুদ্ধে বেশ ক'টি চুরির মামলা রয়েছে।
জানা গেছে, সরকারি হাসপাতালে বহির্বিভাগের টিকেট সংগ্রহ করতে গিয়ে যখন ভিড়ের সৃষ্টি হয়, সেই সুযোগে তারা বোরকা পরা অবস্থায় চুরি করে থাকে। জানা গেছে, হাসপাতালের নিরাপত্তায় থাকা সিসি ক্যামেরা ঠিক মতো কাজে আসছে না। চুরি সংঘটিত হওয়ার সময় সিসি ক্যামেরার মুখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। অনেকেই হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। রোগীদের নিরাপত্তা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা রয়েছে বলে রোগীরা জানান।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আকলিমা জাহান জানান, যে নারীর শরীরে হাত দেয়া হয়েছে তিনিই অভিযুক্ত নারীকে শনাক্ত করেছেন। আমরা থানা পুলিশের কাছে চোরকে সোপর্দ করেছি। সিসি ক্যামেরার মুখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আমি জানি না, তবে ভিড়ের মধ্যে চোর শনাক্ত করা কঠিন। আমরা চেষ্টা করছি পরিবেশ ঠিক রাখতে।








