প্রকাশ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ২২:৩২
কবি উত্তম দেবনাথের প্রয়াণে বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাবের শোক প্রকাশ

বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাব কেন্দ্রীয় পরিষদের অন্যতম সদস্য ও ফেনী জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি, ফেনী সাহিত্যাঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র, শক্তিমান লেখক, শব্দ বিশ্লেষক, গবেষক, তুখোড় সংগঠক, সংস্কৃতিজন, গীতিকার ও কবি উত্তম কুমার দেবনাথ বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) দিবাগত রাত ১১টা ৪০ মিনিটের সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরলোকগমন করেছেন।
|আরো খবর
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ৭টায় ফেনী জেলা শহরের জয়কালী মন্দির থেকে তাঁর মৃতদেহ মাছিমপুর, ধলিয়া পারিবারিক সমাধিস্থলে নিয়ে শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়। মৃত্যুকালে উত্তম দেবনাথের বয়স হয়েছিলো ৬৩ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে সহ অনেক আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
কবি উত্তম কুমার দেবনাথের প্রয়াণে বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাবের চেয়ারম্যান কবি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, কো-চেয়ারম্যান কবি ডক্টর শহীদুল্লাহ আনসারী, মহাপরিচালক কবি ডক্টর সাহেদ মন্তাজ, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, কেন্দ্রীয় সুপ্রিম কাউন্সিলের প্রেসিডিয়াম সদস্য, মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি ও সমন্বয়ক কবি সালেহ আহমদ (স'লিপক), কেন্দ্রীয় পরিষদ সম্পাদক মণ্ডলী দপ্তর সম্পাদক ও মৌলভীবাজার জেলা সাধারণ সম্পাদক ছড়াশিল্পী মিনারা আজমী, মৌলভীবাজার জেলা সহ-সভাপতি সাংবাদিক রিপন কান্তি ধর (রূপক), সহ-সভাপতি কবি শামিমা রিতু, সহ-সাধারণ সম্পাদক কবি সৈয়দ আহমেদ জাবের, সাংগঠনিক সম্পাদক দিলোয়ার হোসেন চৌধুরী, অর্থ সম্পাদক গীতিকবি দেওয়ান মফিজুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক কবি সায়েরা সাবেতি, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবৃত্তিশিল্পী সাদিয়া জান্নাত নিছা, সিনিয়র নির্বাহী সদস্য সাংবাদিক পিন্টু দেবনাথ, সংগঠক বিপ্র দাস বিশু বিক্রম, কবি সাকেরা বেগম, গবেষক কবি জ্যোতি প্রকাশ প্রমুখ সহ বিভিন্ন সংগঠন গভীর শোক, শ্রদ্ধা নিবেদন ও শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
বাংলাদেশ পোয়েটস্ ক্লাবের শোকবার্তায় কবি উত্তম কুমার দেবনাথের পারলৌকিক আত্মার শান্তি উৎকর্ষ ও সদগতি কামনা করে গভীর শোক প্রকাশ এবং কবির প্রয়াণে ফেনী সহ বাংলা সাহিত্যাঙ্গনের প্রভূত ক্ষতি হয়েছে উল্লেখ করা হয়। আরো বলা হয়, তিনি অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ ছিলেন। সাহিত্যসভা, কবিতা পাঠের আসর, সাংস্কৃতিক আয়োজনে তাঁর উজ্জ্বল উপস্থিতি, পরামর্শ সর্বক্ষেত্রে উৎসাহ-উদ্দীপনা যুগিয়েছে। সাহিত্য ও সঙ্গীতের মাধ্যমে তিনি ছড়িয়ে গেছেন শব্দের আলো। কবিতা ও গানের ভাষায় যিনি মানুষের হৃদয়ের কথা লিখেছেন, সমাজের সুখ-দুঃখকে শব্দে-শব্দে বেঁধেছেন, আজ তিনি নিজেই নিঃশব্দ।







