প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৯:০৩
নোয়াখালীতে ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে কলেজ ছাত্রকে হত্যা

নোয়াখালীর মাইজদীতে ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে আতিকুল ইসলাম তিতাস (২৫) নামে এক কলেজ ছাত্রকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তবে পুলিশ বলছে, এখনো ওই কলেজ ছাত্রের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা যায়নি। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫) দুপুরের উপজেলার মাইজদী শহরের বিবি কনভেনশন হল সেন্টারের বহুতল ভবনের ছাদে এই ঘটনা ঘটে।
|আরো খবর
- যত্রতত্র পোস্টার লাগানো বন্ধে কঠোর অবস্থানে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন নিজ উদ্যোগে অবৈধ পোস্টার অপসারণের নির্দেশ
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতি অঙ্কন প্রতিযোগিতা : চাঁদপুরে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করলেন এমপি শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক
- চাঁদপুরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২-এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন করলেন শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক এমপি
নিহত তিতাস চৌমুহনী পৌরসভার হাজীপুর এলাকার শহীদ চেয়ারম্যান বাড়ির আব্দুল গনির ছেলে। নিহতের বড়ো ভাই আরিফুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, তিতাস নোয়াখালী কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলো। আমাদের বাড়ি চৌমুহনী পৌরসভা এলাকায় হলেও আমরা গত ২০-২৫ বছর নোয়াখালী জেলা রোডের আক্তার ভবনের তৃতীয় তলায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছি। সকালে বাসা থেকে বের হয়ে যান তিতাস। দুপুরের দিকে মাইজদী শহরের বিবি কনভেনশন হল সেন্টারের বহুতল ভবনের ছাদে কে বা কারা কলেজ ছাত্র তিতাসকে বেধড়ক নির্যাতন করে নিচে ফেলে দেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বড়োভাই আরো জানান, খবর পেয়ে আমরা হাসপাতালে চলে আসি। তিতাসের হাত তিন ভাঙ্গা গেছে, পায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। গলায় কাটা আঘাতের চিহ্ন আছে। তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে এই সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না। জানতে চাইলে সুধারাম মডেল থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) আবু তাহের বলেন, ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করা হয়নি। তবে ছাদ থেকে পড়ে মারা গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। এখনো মৃত্যুর কোনো কারণ জানা যায়নি।








