প্রকাশ : ০৮ মার্চ ২০২৬, ১০:১৫
মাহে রমাদ্বানুল মুবারক
শেষ দশকের বিজোড় রাত শবে ক্বদর

রমজান মাসে অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি রাত হচ্ছে ক্বদরের রাত, যেটিকে প্রচলিত ভাষায় শবে ক্বদর বলা হয়ে থাকে। ক্বদরের রাতে কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে। কোরআনে পাকে ক্বদরের রাতকে হাজার মাসের চেয়েও উত্তম বলা হয়েছে। এখন জানার বিষয় হচ্ছে- ক্বদরের রাত কোনটি। কোরআন বা হাদীসের কোথাও ক্বদরের রাতকে নির্দিষ্ট করা হয় নি। যদিও ২৬ রমজান দিবাগত রাতকে মুসলিম উম্মাহ শবে ক্বদরকে নির্দিষ্ট করে ফেলেছেন একটি কিয়াসকে অনুসরণ করে। এটা এই বিবেচনায় হয়তো গ্রহণযোগ্য হতে পারে যে- যারা ইবাদত করতে কম আগ্রহী বা ইবাদত বিমুখ, তারা অন্তত শবে ক্বদরের আশায় একটি রাত ইবাদত করুক।
কিন্তু প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদীসে মোবারাকায় শবে ক্বদর সম্পর্কে বলেছেন, তোমরা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতে শবে ক্বদর তালাশ করো। এ জন্য রমজানে ই’তিকাফও দেয়া হয়েছে রমজানের শেষ দশদিন। এই দশদিন যদি আমরা ই’তিকাফে ঢুকে যাই তাহলে শবে ক্বদর বাদ পড়ার কোনো আশঙ্কা নেই। আর ই’তিকাফ যদি নাও করি, অন্তত শেষ দশদিন রাতে যদি আমরা কিছু সময় হলেও ক্বদরের নামাজসহ অন্য ইবাদত করি, তাহলেও শবে ক্বদর আমাদের থেকে ছুটে যাবে না। আর বিজোড় রাত খুঁজতে গিয়ে শেষ দশকের রাতকে এ জন্য বলা হলো- যেহেতু চাঁদ দেখা নিয়ে একটা বিতর্ক থেকেই যায়।
এভাবে যদি আমরা রমজানের শেষ দশদিন প্রতি রাতে কিছু সময় ক্বদরের নামাজসহ অন্য ইবাদত করি তাহলে নিশ্চয়ই শবে ক্বদর আমাদের ভাগ্যে জুটে যাবে। আর একবার যদি কোনো মুমিন বান্দার জীবনে শবে ক্বদর ধরা দেয়, তাহলে সেই বান্দার খোশ নসিব। আল্লাহ পাক যেনো আমাদেরকে শবে ক্বদর নসিব করেন।






