রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪৫

ঢাকা-১৭ আসনে দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর সাথে লড়বেন আয়েবা মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ

প্রবাসীকন্ঠ ডেস্ক
ঢাকা-১৭ আসনে দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর সাথে লড়বেন আয়েবা মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন খুবই সন্নিকটে। নির্বাচনকে ঘিরে শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত সরগরম। চারিদিকে শুধু নির্বাচনী হাওয়া। প্রচার-প্রচারণায় কেউ যেন পিছিয়ে নেই। যে যার মতো করে পারছে ভোটারদের কাছে ভোট প্রত্যাশা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা-১৭ আসনে দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর সাথে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লড়বেন ফ্রান্সের আলোচিত মুখ, ইউরোপের বৃহৎ সংগঠন অল ইউরোপীয়ান বাংলাদেশ এসোসিয়েশন (আয়েবা) মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ।

এরই মধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে যেন নতুন এক মাত্রা যোগ হয়েছে। এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় এসেছেন ফ্রান্স প্রবাসী ও অরাজনৈতিক সংগঠন আয়েবা’র মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ। তার বিপরীতে প্রার্থী হিসেবে বিশেষ আলোচিত বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং জামায়াতে ইসলামীর ড. খালিদুজ্জামান। এই দুই শক্তিশালী প্রার্থীর নিজ নিজ রাজনৈতিক বলয়ে শক্ত অবস্থান রয়েছে।

রাজনৈতিক পর্যালোচনায় ঢাকা-১৭ আসন রাজনৈতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি আসন। দলীয় প্রভাব এখানে বরাবরই প্রবল বলেই জানা গেছে। সে বিবেচনায় দু বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তির বিপরীতে একজন স্বতন্ত্র ও অরাজনৈতিক প্রার্থীর অংশগ্রহণ ভোটের সমীকরণে ভিন্ন মাত্রা যোগ হয়েছে। অভিজ্ঞদের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিশেষ করে রাজনীতির বাইরে থাকা ভোটার, উঠতি তরুণ সমাজ এবং পরিবর্তনমুখী নাগরিকদের একটি অংশ এই ধরনের প্রার্থীর প্রতি আগ্রহ দেখাতে পারে বলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

তবে কঠিন বাস্তবতা হলো, দলীয় কাঠামো, মাঠ পর্যায়ের সংগঠন এবং দীর্ঘদিনের ভোটব্যাংকÑএই তিনটি দিকেই বড়ো দলগুলো স্বতন্ত্র প্রার্থীর চেয়ে বরারবর এগিয়ে থাকে। যার ফলে কাজী এনায়েত উল্লাহর জন্য বড়ো এবং প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে নিজেকে বিশ্বাসযোগ্য বিকল্প হিসেবে উপস্থাপন করা এবং সীমিত সাংগঠনিক শক্তি দিয়ে বৃহৎ জনসমর্থন তৈরি করা। অন্যথায় টিকে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়বে। ধারণা করা হচ্ছে, সাধারণ জনগণ যে পরিবর্তন চাচ্ছে, যদি তা বাস্তবে রুপ নেয় তবে ভোটের মাঝে কাজী এনায়েত উল্লাহ জনসমর্থনে এগিয়ে যাবে। তা এখন সময়ের ব্যাপার।

অন্যদিকে, কেউ কেউ বলছেন, যদি ভোটারদের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত রাজনীতির প্রতি অনাস্থা বা পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা জোরালো হয়, তাহলে এই আসনে অপ্রত্যাশিত ফলও দেখা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে ঢাকা-১৭ আসন একটি প্রতীকী রাজনৈতিক বার্তা বহন করতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে দলীয় রাজনীতির বাইরে দঁাড়িয়েও শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সম্ভব।

সব বিচার বিশ্লেষণে, ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচন শুধু ব্যক্তি বা দলের লড়াই নয়, বরং এটি হতে পারে পরিচিত রাজনীতির সঙ্গে বিকল্প ধারার রাজনীতির মুখোমুখি অবস্থান৷ Ñযার ফলাফল জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। এদিকে কাজী এনায়েত উল্লাহ প্রার্থী হিসেবে বেশ উপযুক্ত, শিক্ষা, সামাজ পরিবেশ -বান্ধব একজন সৎ নিষ্ঠাবান প্রার্থী। তঁার কোন বিকল্প নেই। তাছাড়া তিনি বহির্বিশ্বে একজন আলোচিত ব্যক্তি। ইউরোপ-আমেরিকা এবং এশিয়াসহ পৃথিবীর প্রতিটি দেশে প্রবাসীদের মাঝে সুপরিচিত সংগঠক এবং জনপ্রিয় ব্যক্তি হিসেবে প্রবাসীদের পাশে থেকে নিরলসভাবে সাংগঠনিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তাই অনেকের ধারণা, কাজী এনায়েত উল্লাহকে যদি সাধারণ মানুষ ভোটের মাধ্যমে বেছে নিতে পারেন, তবে সাধারণ মানুষ উভয় দিকে উপকৃত হতে পারেন। যেমন দেশে জনগণের পক্ষে, তেমনি বিদেশে প্রবাসীদের পক্ষে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়