প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ২১:৫১
ফরিদগঞ্জে খাল দখলের মামলায় অবৈধ স্থাপনা অপসারণের প্রতিবেদন চাইলো আদালত
ফরিদগঞ্জে সরকারি খাল দখল করে অবৈধভাবে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় নালিশি ভূমি থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণে প্রশাসনের গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
|আরো খবর
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর ২০২৬) দুপুরে চাঁদপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (১)-এর বিচারক পলাশ বর্ধ্বন এ আদেশ দেন। রাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির ফখরুদ্দিন স্বপন।
আদালতের আদেশে ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)কে এ আদেশ বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশ দেন। পাশাপাশি অবৈধ স্থাপনা অপসারণে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।
মামলার নথি পর্যালোচনায় জানা গেছে, ফরিদগঞ্জের ৯৩নং চৌমুহা মৌজার ৩নং খতিয়ানের সরকারি ভূমি—যা খাল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে—সেখানে অবৈধভাবে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ ওঠে। ফরিদগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর বিগত ১২ আগস্টের প্রতিবেদনে উল্লিখিত সরকারি ভূমিতে অবৈধভাবে দোকানঘর নির্মাণের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে আদালতের আদেশে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়। মামলায় হাজির হওয়া ৯ আসামিকে আদালত ৫০০ টাকা বন্ডে জামিন মঞ্জুর করেন। তবে সমন পেয়েও আদালতে হাজির না হওয়ায় মো. বাহার, কামরুল আহসান, কালু মোল্লা, মহসিন, শাহ-আলম, শাহিন, খোকন মোল্লা ও মনির শেখের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
এছাড়া পরোয়ানা তামিল এবং কোনো আসামি মৃত্যুবরণ করেছেন কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।







