প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৩
শ্রীনগরে অগ্রণী ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার গ্রেফতার, তবুও কাটেনি গ্রাহকদের আতঙ্ক

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার অগ্রণী ব্যাংক শাখা থেকে ২১৩ জন গ্রাহকের প্রায় ২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে আত্মগোপনে যাওয়া ক্যাশ অফিসার শরিফুজ্জামান সোহাগকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে অভিযুক্ত গ্রেফতার হলেও টাকা হারানোর আশঙ্কায় কাটেনি গ্রাহকদের আতঙ্ক ও দুশ্চিন্তা।
|আরো খবর
জানা গেছে, জালিয়াতির ঘটনার পর গত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে আত্মগোপনে চলে যান ক্যাশ অফিসার সোহাগ। পরবর্তীতে ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মিরপুরের পাইকপাড়ায় নিজ বোনের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।
সোহাগের গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়লেও গ্রাহকদের মনে স্বস্তি ফিরে আসেনি। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল থেকেই শ্রীনগর প্লাজায় অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংক শাখায় শত শত গ্রাহক ভিড় জমাতে শুরু করেন। একপর্যায়ে ভিড় ও বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
এদিকে ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হলে গ্রাহকদের নিজ নিজ আমানতের স্থিতি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে দেখা যায়। টাকা সুরক্ষিত আছে কি না তা যাচাই করার পাশাপাশি অধিকাংশ গ্রাহকই টাকা তুলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। হুট করে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ আমানত উত্তোলনের চাপ তৈরি হওয়ায় গ্রাহকদের সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন ব্যাংক কর্মকর্তারা।






